পত্রিকা: 'বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে বাংলাদেশ'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিকস ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।

ওই বছর বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ছিল প্রায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভিয়েতনামের রফতানি ছিল ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

কিন্তু এরপর থেকে রফতানির এ চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।

সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে, ভিয়েতনাম টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশনের (ভিআইটিএএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির পোশাক ও টেক্সটাইল রফতানি এরই মধ্যে ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং চলতি বছরে ৪৭ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে দেশটির।

একই সময়ে ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানও বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে। ফলে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এই হিসাব শিল্প পুলিশ ও উদ্যোক্তা সংগঠনগুলোর।

কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব এবং সে কারণে উৎপাদন সক্ষমতা কমে আসা।

এমন পরিস্থিতিতে আরও অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

উদ্যোক্তা ও শ্রমিক নেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের কারণে বহু শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। শুধু পোশাক খাতেই কাজ হারিয়েছেন দেড় লাখ শ্রমিক।

শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ার প্রভাবে রপ্তানি আয়ও কমছে।

সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি আগের অর্থছরের চেয়ে ১ শতাংশের মতো কমেছে। আর রপ্তানি আয় কমেছে আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন রপ্তানি আদেশ কমেছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ উপাত্ত বলছে, গত অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

নেতিবাচক ধারা থেকে বের হতে পারেনি রপ্তানি খাত— ইত্তেফাকের প্রধান সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরের যা ছিল ৪৮.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দশমিক ৫৮ শতাংশ রপ্তানি কমেছে।

অর্থবছরের ১২ মাসের মধ্যে মাত্র দুই মাস রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও বাকি ১০ মাসই নেতিবাচক ধারা থাকায় বছর শেষে সামগ্রিক রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে ফিরতে পারেনি।

বিশেষ করে, দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়াই সামগ্রিক চিত্রকে প্রভাবিত করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Govt discontinues austerity measures; অর্থাৎ কৃচ্ছ্রসাধন নীতি থেকে সরে এলো সরকার।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার তার কৃচ্ছ্রসাধন বা ব্যয় সংকোচনমূলক নীতির মেয়াদ আর বাড়ায়নি। যার ফলে সরকারি খরচে বিদেশ ভ্রমণ এবং আমলাদের জন্য সুদমুক্ত গাড়ি ঋণের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ উঠে যাবে।

সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ বাতিলের ফলে গাড়ি, নৌযান ও বিমান কেনা এবং অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় জমি অধিগ্রহণের জন্য অর্থছাড়ের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞাও উঠে যাবে।

গত পাঁচই এপ্রিল কৃচ্ছ্রসাধন সংক্রান্ত একটি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল অর্থ বিভাগ। যেটি ৩০ জুন পর্যন্ত প্রযোজ্য ছিল।

এর মধ্যে ব্যয় সংকোচনমূলক নীতি অব্যাহত রাখার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বড় আকারের ক্রয়াদেশও কৃচ্ছ্রসাধন পদক্ষেপের ইতি টানার ইঙ্গিত দেয়। গত পহেলা মে ১৪টি বিমান সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সাথে তিন দশমিক সাত বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করে রাষ্ট্রায়ত্ত এ উড়োজাহাজ কোম্পানি।

কৃচ্ছ্রসাধনে বিএনপি সরকারের আমলে জারি হওয়া পাঁচই এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তিটি মূলত ২০২৫ সালের আটই জুলাই মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা নির্দেশনার একটি সংশোধিত সংস্করণ ছিল।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন নীতির লক্ষ্য ছিল অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বর্জন করা এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া আর্থিক খাতের ওপর চাপ কমানো।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— তিস্তায় নতুন সমীকরণ

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আবারো নতুন করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক ব্রিফিংয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই চীন তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভূরাজনৈতিক বা কৌশলগত বিবেচনা নেই।

কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান বাস্তবতায় তিস্তার মতো একটি বৃহৎ অবকাঠামো ও নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পকে কেবল উন্নয়ন সহযোগিতার সীমার মধ্যে ব্যাখ্যা করা কঠিন।

এই প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে ভারতের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সবসময় সংযত থাকলেও বিভিন্ন কৌশলগত বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমে এ নিয়ে উদ্বেগের প্রতিফলন দেখা গেছে।

কারণ, ভারতের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বৃহৎ চীনা প্রকৌশল ও অবকাঠামোগত উপস্থিতি একটি নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করতে পারে।

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীনের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এবার সহযোগিতার বিষয়টি কেবল বাণিজ্যিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটিকে সরকার-টু-সরকার সহযোগিতার কাঠামোয় এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এইচএসসিতে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীও এবার বেশি— প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

যদিও পরীক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে এসব শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন।

১১টি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর পরীক্ষার প্রথম দিন ১৯ হাজার ৭৫৯ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগের বছর ২০২৪ সালে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলেন ১৫ হাজার ২০৩ পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির পাশাপাশি এবার নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার হারও উদ্বেগজনক। এ বছর নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ফরমই পূরণ করেননি।

দুই বছর আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করে একাদশ শ্রেণিতে নিবন্ধন করেছিলেন প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছেন প্রায় সাড়ে ৯ লাখ শিক্ষার্থী, অর্থাৎ নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না।

এখন প্রথম দিনের অনুপস্থিতির সংখ্যাটি যোগ করলে পরীক্ষা না দেওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বেশি হবে।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— গেজেটের অপেক্ষায় পে স্কেল

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল চলতি জুলাই মাসে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।

তবে বেতন বৃদ্ধির ধরন, কত ধাপে বাস্তবায়িত হবে, কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়বে এবং কবে গেজেট প্রকাশ করা হবে— এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পে স্কেলের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক দিক পর্যালোচনা শেষে চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে সরকার প্রথমে তিন ধাপের পরিকল্পনা বিবেচনা করেছিল। পরে কর্মচারী সংগঠনগুলোর আপত্তি এবং প্রশাসনিক বাস্তবতা বিবেচনায় সেটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা চলছে।

পুরোনো অস্ত্রেই আক্রমণে সরকারি ও বিরোধী দল— আজকের পত্রিকার প্রধান সংবাদ এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে প্রধান দুই দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পুরোনো চর্চা থেকে বেরই হতে পারছে না। এখনো তারা পরস্পরের সমালোচনা বা আক্রমণের প্রয়োজন হলেই টেনে আনছে অতীত।

জাতীয় সংসদের বিতর্ক কিংবা রাজপথের কর্মসূচি— সবখানেই দলটির নেতাদের মুখে ঘুরেফিরে আসছে পরস্পরের অতীত কর্মকাণ্ড।

যদিও জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে নতুন ধারা তৈরির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল।

দুল দুইটির কথার এই লড়াইকে দেশের রাজনৈতিক চর্চার ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

তবে তারা মনে করছেন, দুই দল জনসমক্ষে একে অপরকে আক্রমণ করলেও বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের মধ্যে একধরনের কৌশলগত মনস্তাত্ত্বিক ঐক্য ও সহাবস্থান রয়েছে। নানাবিধ সমীকরণের কারণে দুই পক্ষের এই কথার যুদ্ধ ও সাময়িক দূরত্ব শেষ পর্যন্ত একটি সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— শুটারের দাপটে বিপন্ন চট্টগ্রাম

এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট থেকে চলতি বছরের ১ জুলাই পর্যন্ত ২৩ মাসে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান এবং নগরীর পাঁচলাইশ, বায়েজিদ, বাকলিয়া ও চান্দগাঁও থানায় ৩৩টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

এ সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হওয়াসহ আহত হয়েছে প্রায় ৩৫০ মানুষ। গুলি করে হত্যার ঘটনা ছিল ২০টি।

চব্বিশের অগাস্টে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া ৯৪৮ আগ্নেয়াস্ত্রের ১৫৫টি বিদেশি, সেগুলো এখনো উদ্ধার করা যায়নি। এসব অস্ত্র দিয়ে খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি প্রভৃতি অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, নগর ও জেলার রাউজানে সংঘটিত ৩৩ খুনের একটিরও তদন্ত শেষ হয়নি। আর রাউজানে ২৪ খুনের ঘটনায় অস্ত্রধারীরা এখনো অধরা।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Biman crews under scanner over money laundering; অর্থাৎ, অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্তের মুখে বিমানের কেবিন ক্রুরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রুদের একাংশের বিরুদ্ধে বিদেশি ভাতা হুন্ডির মাধ্যমে দেশে আনার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য সংস্থাটির অর্থ পরিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন। এখনো অনুসন্ধান চলছে।

এদিকে, অর্থপাচারকাণ্ডে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নাম আসা এয়ারলাইন্সটির চিফ ফাইন্যান্স অফিসার মিজানুর রশীদকে গত মে মাসে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।