পত্রিকা: 'এনআরবিসি ব্যাংক মুছে ফেলেছে ১১ লাখ তথ্য'

'এনআরবিসি ব্যাংক মুছে ফেলেছে ১১ লাখ তথ্য' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, অর্থ লুটপাট করার পর তথ্য গোপন করতে ভয়ংকর জালিয়াতি করেছে এনআরবিসি (নন-রেসিডেনসিয়াল বাংলাদেশি কমার্শিয়াল) ব্যাংক। আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) সিস্টেম থেকে প্রায় ১১ লাখ তথ্য মুছে ফেলেছে ব্যাংকটি।
এর মাধ্যমে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র আড়াল করা, হাজার কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি লুকানো এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে।
এসব ঘটনা ২০১৩-২০২৫ সালের মে মাসের মধ্যে হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরেও ব্যাংকটিতে অনিয়ম অব্যাহত আছে।
এর সঙ্গে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আদনান ইমাম এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানসহ অনেকের সম্পৃক্ততা মিলেছে।
এনআরবিসি ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত ফরেনসিক অডিট রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে-কেওয়াইসি (গ্রাহককে জানুন) ফর্ম ছাড়া ১২ হাজার হিসাব খোলা হয়েছে।

'বেনজীরকে ধরিয়ে দেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু!' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে বিমানবন্দর থেকে ধরা হয়নি। তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সহায়তায় শপিংমল থেকে গ্রেফতার করে দুবাই পুলিশ।
তার বন্ধুর সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল দুবাই পুলিশের। ওই বন্ধু একজন আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনৈতিক নেতা। তিনি বর্তমানে দ্বুাইয়ে অবস্থান করছেন।
বেনজীরকে 'ট্র্যাপে' ফেলে বাসা থেকে ডেকে একটি শপিংমলে নিয়ে যান বন্ধু। সেখানে কপিশপে আড্ডার সময় পুলিশ এসে বেনজীরকে গ্রেফতার করে। পুলিশের সঙ্গে বেনজীরের কথা বলার একপর্যায়ে তার বন্ধু সটকে পড়েন।
পরে তাকে দুবাই পুলিশ সদর দপ্তরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। বেনজীর নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও ইন্টারপোলের রেড নোটিসের বিষয়টি সামনে আনা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ইউনিটের এক কর্মকর্তা দুবাইয়ে বেনজীরের এক আত্মীয়ের কাছ থেকে এ তথ্য পেয়েছেন বলে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

'ক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা দেড় দশকে বেড়ে ৯ গুণ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম- দুর্নীতির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে 'ক্যাপাসিটি চার্জ ' নামের আলোচিত, বিতর্কিত ব্যবস্থাটি।
চুক্তির মধ্য দিয়ে আপাত- নিয়মতান্ত্রিকভাবে হলেও পর্যবেক্ষকেরা এ ব্যবস্থাকে লুটপাটের হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সরকারের ওপর বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে পরিশোধ করা ক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গত দেড় দশকে এ বাবদ খরচ বেড়েছে ৯ গুণ। আর এর চাপ এসে পড়ছে ভোক্তার ঘাড়েও।
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর অর্থ উপার্জনের মূল উপায় বিদ্যুৎ বিক্রি করা। সেহেতু তাদের যেন ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতে উৎপাদন বন্ধের সময়ের জন্যও পিডিবিকে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে একটি চার্জ দিতে হয়।
চুক্তির সময় এটি নির্ধারণ করা থাকে। বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বসিয়ে রেখে দেওয়া এই অর্থই হলো ক্যাপাসিটি চার্জ।
পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, ক্যাপাসিটি চার্জের কারণে প্রয়োজনের তুলনায় দ্বিগুণ সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কার্যত সরকার ও জনগণের জন্য বোঝা হয়ে দেখা দিয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'সুন্দরবনে সক্রিয় সাত দস্যু বাহিনী' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সুন্দরবনে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সংঘবদ্ধ দস্যুচক্র। অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, নদীপথে চাঁদাবাজি, জেলে ও বনজীবীদের জিম্মি করা, পর্যটকদের ভয়ভীতি দেখানোর মতো তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আবারও অস্থির এই ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০১৮ সালে সুন্দরবনকে 'দস্যুমুক্ত' ঘোষণা করা হলেও সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় দস্যুদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার মোংলার সুন্দরবনের জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ডের হাড়বাড়িয়া স্টেশনে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ আরো বেড়েছে।
ওই হামলায় তিনজন কোস্ট গার্ড সদস্য আহত হয়েছেন। কোস্ট গার্ড মনে করছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের অপকর্ম চালাতে পরিকল্পিতভাবে হামলা ও অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবন ঘিরে বর্তমানে ১২টি দস্যু বাহিনীর শতাধিক সদস্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।
তবে কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে আছাবুর, হান্নান, আনারুল, মঞ্জু ও রাঙ্গা এই পাঁচ বাহিনী কার্যত নিষ্ক্রিয়। বর্তমানে করিম শরীফ বাহিনী, দুলাভাই বাহিনী, বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী, ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী, দয়াল বাহিনী, নানা ভাই (ডন) বাহিনী ও কাজল মুন্না (জনাব) এই সাত বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে।

'আদিতমারী রণক্ষেত্র ডিসি-এসপি'র গাড়ি ভাঙচুর' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, লালমনিরহাটে ৭ বছরের শিশু নন্দিনীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ গতকাল লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ফলিমারী গ্রামের ভুট্টাক্ষেত থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ধর্ষক বিধান চন্দ্রকে অবরুদ্ধ করে তার বসতবাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আসামিকে আটক করে।
এ সময় পুলিশের কাছ থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বাধে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করে। অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

'ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আলোচনায় না এলেই তদন্ত থেমে যায়' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মাত্র চার কার্যদিবসে বিচার শেষ করে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কিন্তু এর উল্টো চিত্রও রয়েছে।
দেশে অনেক ধর্ষণ ও হত্যা মামলা মাসের পর মাস, বছরের পর বছর তদন্ত পর্যায়েই আটকে আছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও বেশির ভাগ ঘটনায় তা মানা হয় না।
তবে পুলিশ বলছে, ডিএনএ পরীক্ষা, মেডিক্যাল প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক মামলার তদন্ত নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয় না।
পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত মার্চ থেকে মে পর্যন্ত তিন মাসে ঢাকাসহ সারা দেশে পাঁচ হাজার ৪৪৮টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরের থানাগুলোতে হয়েছে ৪১৩ মামলা।
ঢাকার আদালত সূত্র জানায়, ৪১৩টি মামলার মধ্যে তিন মাসে ৬৫টির অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। আর ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা না পেয়ে ১০টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলোর তদন্ত শেষ হয়নি।

'মানসিক স্বাস্থ্য সঙ্কটে তরুণ প্রজন্ম' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশই তরুণ। কিন্তু দেশের এই মূল চালিকাশক্তি আজ এক অদৃশ্য অথচ বিধ্বংসী সঙ্কটের মুখোমুখি, যার নাম মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (এনআইএমএইচ) বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন, যার একটি বড় অংশই তরুণ প্রজন্ম।
উদ্বেগজনক এই বাস্তবতার বিপরীতে দেশের চিকিৎসা অবকাঠামোর চিত্রটি চরম সঙ্কটাপন্ন। তীব্র জনবল সঙ্কট, অপর্যাপ্ত বাজেট এবং বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোর সীমাবদ্ধতার কারণে আক্রান্তদের ৯২ শতাংশেরও বেশি মানুষ কোনো ধরনের চিকিৎসার আওতায় আসছেন না।
তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে স্মার্টফোন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের (ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম) অতিরিক্ত ব্যবহার তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
ছোট ছোট ভিডিও (রিলস বা শর্টস) দেখার ফলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকলাপে প্রভাব পড়ছে, যার ফলে তরুণদের মনোযোগের স্থায়িত্ব বা 'অ্যাটেনশন স্প্যান' মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম '60% of all loans DISTRESSED' অর্থাৎ '৬০ শতাংশ ব্যাংকঋণই ঝুঁকিপূর্ণ'।
খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সাল নাগাদ ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৪ দশমকি ৩ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ১০,৯১,৮৪৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। যা এই খাতের ক্রমবর্ধমান ভঙ্গুরতার প্রতিচ্ছবি।
যেসব ঋণ খেলাপি হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে, অথবা যেখানে ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধে মারত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, সেগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বলা হয়।
গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত, ১৮,২০,৯১৫ কোটি টাকার বকেয়া ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশই ছিল খেলাপি ঋণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের 'আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন ২০২৫' অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫,৫৭,২১৭ কোটি টাকা। এরপরেই রয়েছে অশ্রেণীবদ্ধ পুনঃতফসিলকৃত ঋণ ২,৬৮,৭৩৩ কোটি টাকা। স্থগিতাদেশের অধীনে থাকা ঋণ ১,৮২,৪১৯ কোটি টাকা এবং অবলোপনকৃত ঋণ ৮৩,৪৭৯ কোটি টাকা।

'ব্যাংক খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা এখন ঋণাত্মক' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কোনো ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতার পরিমাপ হলো তার মূলধন পর্যাপ্ততা। এটি নির্দেশ করে যে ব্যাংকটি সম্ভাব্য ব্যবসায়িক ঝুঁকি (যেমন খেলাপি ঋণ) মোকাবেলা করতে সক্ষম কিনা।
মূলধন পর্যাপ্ততা বা সিআরএআর হলো ব্যাংকের মূলধন এবং তার ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাত। বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাসেল থ্রি অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সিআরএআর পর্যবেক্ষণ করে।
বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর সিআরএআর সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ থাকার কথা। এর উদ্দেশ্য আমানতের অর্থ সুরক্ষিত রাখা, ব্যাংককে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচানো।
বাংলাদেশে খেলাপি হয়ে যাওয়া ঋণের বিপরীতে প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে পারছে না অনেক ব্যাংক। এর প্রভাবে ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি তীব্র আকার ধারণ করেছে।









