আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি'
কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের প্রধান শিরোনাম - সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অনুরোধ জানান।
এ সময় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের প্রাতিষ্ঠানিক লুটপাট ও অর্থপাচারের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সব কর্মকাণ্ডও দুদকের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, 'বর্তমান সরকারের ভিত্তি স্বচ্ছতা।
তাই যেকোনো ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া উচিত।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর একটি অস্থির সময় ছিল। যমুনার অভ্যন্তরে এবং যমুনার কিনারে কী পরিস্থিতি ছিল, আপনারা সবাই জানেন।'
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, 'আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সব কার্যক্রম দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিন'।
End of বিবিসি নিউজ বাংলায় আরও পড়ুন
নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Detention continues even after bail অর্থাৎ জামিনের পরও চলেছে আটক
সুপ্রিম কোর্ট বা নিম্ন আদালত থেকে জামিন কিংবা মুক্তির আদেশ পাওয়ার পরও অনেক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে রাখা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এতে ব্যক্তিস্বাধীনতা, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক আজহার আলী সরকার, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, সাবেক নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাবেক সংসদ সদস্য ও শিল্পী মমতাজ বেগমসহ কয়েকজন জামিন বা মুক্তির আদেশ পেলেও তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাননি।
আইনজীবীদের অভিযোগ, আপিল করার কথা বলে মুক্তি বিলম্ব করা হচ্ছে অথবা মুক্তির আগেই নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। তাদের মতে, শুধু আপিলের পরিকল্পনার কারণে কারও মুক্তি আটকে রাখা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং এতে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমতে পারে।
প্রথম আলো পত্রিকার খবর- '৭১ প্রশ্নে অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে জামায়াতকে
বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে নিজেদের দিকেও ফিরে তাকানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত ছিল। তিনি মনে করেন, সেটার জন্য এখনো সময় আছে। একাত্তর প্রশ্নে দলটিকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা স্বীকার করে নিলে তাদের রাজনীতি করা সহজ হয়ে যাবে।
গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি, এমন একটা দলের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোট করেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি আশা করেন, তরুণদের এই দলটি তাদের রাজনীতিটা আরও পরিষ্কার করবে।
মির্জা ফখরুল ছাড়াও সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সরকারি দলের সংসদ সদস্য বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটের প্রশংসা করেন এবং বিরোধী দলের বিভিন্ন সমালোচনার জবাব দেন।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- 9th pay scale: Full raise in basic pay likely from next month অর্থাৎ আগামী মাস থেকেই মূল বেতনের পুরো বৃদ্ধি হতে পারে
সরকার নবম বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এতে আগামী জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের পুরো বৃদ্ধি কার্যকর হতে পারে এবং ভাতা বৃদ্ধি পরবর্তী অর্থবছরে দেওয়া হতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি তিনটি বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর জুলাইয়ের মাঝামাঝি গেজেট জারি হতে পারে।
আগে বেতন বৃদ্ধি দুই বা তিন ধাপে দেওয়ার বিষয় বিবেচনায় ছিল। উদাহরণ হিসেবে, কারও মূল বেতন ১০ হাজার টাকা হলে শতভাগ বৃদ্ধি পেলে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হতে পারে, আর বাড়তি ভাতা পরে কার্যকর হবে।
মানবজমিন পত্রিকার খবর- কাল বাজেট পাস, যেসব পরিবর্তন আসছে
ছোট-বড় পরিবর্তনে কাল ৩০শে জুন মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পাস হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। আজ ২৯শে জুন অর্থবিল পাসের মাধ্যমে কর ও শুল্কসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করা হবে। ৩০শে জুন স্পিকার বাজেটের ওপর কণ্ঠভোট গ্রহণ করবেন। এরপর অর্থবছরের শেষ কার্যদিবসেই বাজেট পাস হয়ে যাবে। ১লা জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সম্প্রতি সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বাজেটের মূল কাঠামো, আকার কিংবা সামষ্টিক অর্থনৈতিক লক্ষ্য অপরিবর্তিত থাকছে।
যেসব পরিবর্তন আসতে পারে: সূত্র বলছে, ব্যাংক হিসাব খুলতে বাধ্যতামূলক কর শনাক্তকরণ নাম্বার (টিআইএন) জমা দেয়া এবং নির্দিষ্ট আয়ের নিচেও রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নিয়ে সংসদ ও সংসদের বাইরে সমালোচনা ও বিতর্ক চলছে। এ কারণে ব্যাংক হিসাবে টিআইএন জমা দেয়া, ক্ষেত্রবিশেষে বাধ্যতামূলক রিটার্ন দাখিলের বিষয়টি শিথিল করা হতে পারে।
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ রায় ঘোষণা করেছে।
মামলায় ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপরাধে সম্পৃক্ততার দায়ে আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তার একজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অন্যজনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে আদালতে হাজির রেখে রায় ঘোষণা করা হয়, আর বাকি চার আসামি এখনও পলাতক।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন এবং তা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
যুগান্তর পত্রিকার খবর- মধ্যরাতে স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোডশেডিং
দেশে স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে রোববার মধ্যরাতে। রাত ২টায় দেশে লোডশেডিং হয় ৩ হাজার ৪৩১ মেগাওয়াট। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৭৩ মেগাওয়াট।
রোববার সারা দিন গড়ে লোডশেডিং ছিল ২ থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট। এর আগে মে মাসে সারা দেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং হয়েছিল। বর্তমান সরকারের সময়ে দেশে বিদ্যুতের এই সংকট চিন্তায় ফেলেছে সংশ্লিষ্টদের। গরম আরও বাড়লে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আওতার বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ঢাকায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু জায়গায় সামান্য লোডশেডিং হয়। যা এখনো সহনীয় পর্যায়ে। তবে ঢাকার বাইরের পরিস্থিতি বেশ নাজুক।
বহু জেলায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। ময়মনসিংহের শিল্প ও কৃষিপ্রধান এলাকায় দৈনিক গড়ে ১২-১৪ ঘণ্টা থাকে বিদ্যুৎহীন। সারা দেশে বিদ্যুতের জন্য চলছে হাহাকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকায়ও লোডশেডিং করার চিন্তা করছে সরকার। ঢাকায় লোডশেডিংয়ের আগে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিতে চায় বিদ্যুৎ বিভাগ। যদিও ঢাকায় লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী।
দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- বাসা-বাড়িতে গ্যাস সংযোগ আর নয়
চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে আবাসিকের সব গ্যাস সংযোগ কেটে দিতে চায় সরকার। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগের এক বৈঠকে জ্বালানি সচিব এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসেনি।
তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজ এ বিষয়ে গতকাল রবিবার বিকেলে দেশ রূপান্তরকে বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে, আবাসিকে এখন যে সংযোগ রয়েছে তা পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কতদিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'চার থেকে পাঁচ বছরের কথা বলা হয়েছে।
সরকার মনে করছে আবাসিকে যে ১২ শতাংশ গ্যাস ব্যবহার হয় তা শিল্পে সরবরাহ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে গৃহস্থালির গ্যাস ব্যবহারকারীরা এলপিজি ব্যবহার করবে। পৃথিবীর কোথাও এমন পাইপলাইনের গ্যাস নেই। আমাদের এখানেও থাকবে না।'
বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- আশ্রয়ণের ঘরে থাকছেন না 'আশ্রিত'রা বিক্রি করে দিয়েছেন অনেকে
আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের মাথার ওপর স্থায়ী ছাদ নিশ্চিত করা। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পে খরচ হয়েছে ১১ হাজার কোটির বেশি টাকা।
কিন্তু দেশের বিভিন্ন জেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প সরজমিনে ঘুরে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। কোথাও বরাদ্দ পাওয়া পরিবার ঘরে থাকছে না, কোথাও সরকারি ঘর বিক্রি হয়ে গেছে মোটা অংকের টাকায়, আবার কোথাও বছরের পর বছর খালি পড়ে থাকা ঘর মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। বণিক বার্তার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অনেক প্রকল্পেই প্রকৃত উপকারভোগীর পরিবর্তে স্থানীয় প্রভাবশালী, মধ্যস্বত্বভোগী কিংবা অননুমোদিত ব্যক্তিরা ঘর দখল করে আছেন।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার রোহিতপুর ইউনিয়নের সাহাপুর (ধর্মশুর) আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০২২ সালে ৪৫টি ঘর ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। গতকাল সরজমিনে দেখা যায়, ৪৫টি ঘরের ২১টিতেই তালা ঝুলছে। তালায় জমে থাকা মরিচা ও চারপাশের মাকড়সার জালই বলে দিচ্ছিল, দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘরে কেউ থাকে না।
অন্যদিকে যে ২৪টি ঘরে মানুষ বসবাস করছে, তাদের অনেকেরই সরকারি বরাদ্দ নেই। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কেউ স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায়, কেউ আত্মীয়ের নামে বরাদ্দ পাওয়া ঘরে, আবার কেউ অর্থের বিনিময়ে এসব ঘরে থাকছে।
আজকের পত্রিকার খবর- মাদক ঢুকছে ১৮ জেলা দিয়ে , বড় বাজার ঢাকা
দেশের বিভিন্ন সীমান্ত অঞ্চলের ১৮ জেলার অন্তত ১০৫টি প্রবেশপথ দিয়ে ইয়াবা, আইস, হেরোইন ও ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদক দেশে ঢুকছে। এসব মাদকের বড় অংশ রাজধানী ঢাকায় পৌঁছায়, ফলে দেশের সবচেয়ে বড় মাদকের বাজার এখন ঢাকা। এরপর রয়েছে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত, যার মধ্যে নারী ও শিশুও আছে। মাদকসেবীদের বড় অংশের বয়স ১৬ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। শহরের পাশাপাশি গ্রাম ও প্রত্যন্ত এলাকাতেও মাদকের বিস্তার বাড়ছে।
সরকার বলছে, শুধু বর্তমান আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ কঠিন হওয়ায় আইন আরও শক্তিশালী করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মাদক নির্মূলের কথা জানানো হয়েছে।
টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Shibir's 'women-friendly' promises turn into misogyny at DU অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীবান্ধব প্রতিশ্রুতি থেকে নারীবিদ্বেষী বিতর্কে শিবির
জুলাই পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামী ছাত্রশিবির নিজেদের নারীবান্ধব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সংগঠনটির কিছু কর্মী নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি, বাধা এবং অপমান করেছেন।
সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, নরওয়ে ও ফ্রান্স ম্যাচ চলাকালে ছয় নারী শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হন। এর প্রতিবাদে পরে অনেক ছাত্রী একসঙ্গে মাঠে গিয়ে খেলা দেখেন।
এক শিক্ষার্থীর দাবি, অনুমতি নিয়ে মাঠে ঢোকার পরও তাদের চলে যেতে চাপ দেওয়া হয় এবং সঙ্গে থাকা এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। অভিযোগের তীর শিবির সমর্থিত এক হল নেতার দিকেও ওঠে।
তবে শিবির সমর্থিত ডাকসু নেতারা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ক্যাম্পাস নিরাপদ এবং কোনো অনিয়ম হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।