শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কী হবে?

    • Author, জান্নাতুল তানভী
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, ঢাকা
  • Published
  • পড়ার সময়: ৬ মিনিট

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে যাওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সম্প্রতি বেশ আলোচনা চলছে।

সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যম শেখ হাসিনার বরাত দিয়ে এ বছরই তার বাংলাদেশে ফেরার খবর দেওয়ার পরই এ বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে চর্চিত হয়।

চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা। মামলায় পলাতক হিসেবে তার বিচার করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে একটি অনুষ্ঠানেবলেছেন, "আইনগত অবশ্যই কোনো বাধা নেই। উনি (শেখ হাসিনা) ফিরবেন, ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন। আমাদের নরমাল সিআরপিসির যে প্রসিজিউর সেটিই উনি ফলো করবেন।"

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন, শেখ হাসিনার দেশে আসতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

বিবিসি বাংলা যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আইনের দৃষ্টিতে শেখ হাসিনা পলাতক এবং তিনি কোন দেশে আছেন সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনাল জানে না। তবে, বিভিন্ন মাধ্যমে তারা শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানতে পারেন।

"ভারতের সাথে আমাদের এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে এবং বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে আনার সুযোগ আছে। অথবা তিনি নিজেও আসতে পারেন," বলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি এটাও বলছিলেন, যে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনিভাবে অভিযোগ মোকাবিলা করতে পারেন।

এদিকে, আইন বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, শেখ হাসিনার ফিরে আসা বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে, ফলে তার বাংলাদেশে আসায় বাধা আছে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আমি মনে করি, তার দেশে আসতে বাধা আছে। বাধাটা হলো পাসপোর্ট। উনি যখন গেছেন তখন ওনার কাছে রেড পাসপোর্ট ছিল। ধরে নেই, উনি সেটা নিয়ে গেছেন। কিন্তু সরকার তো সেই রেড পাসপোর্ট বাতিল করে দিয়েছে পরবর্তীকালে। তো ওনার কাছে কোনো ভ্যালিড পাসপোর্ট নাই এখন।"

আবার, যেহেতু সাজার রায় আছে, ফলে শেখ হাসিনা ফিরে এলে সে বিষয়ে পরবর্তি পদক্ষেপ কী হবে- সেই প্রশ্নও রয়েছে। তবে তিনি যখনও বাংলাদেশে ফিরে আসেন না কেন, সাজার রায়ের বিরুদ্ধে তার আপিল করার সুযোগ আছে বলেও জানান সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক।

রায়ের এক মাসের মধ্যে আপিলের বিধান সবসময় অনুসরণ করা হয় না, ১০-১৫ বছর পরেও আপিল করার উদাহরণ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, "আমরা দেখেছি সবসময় এটা স্ট্রিক্টলি ফলো করা হয় না। বিশেষত রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে আইনের ব্যাখ্যা বদলে যায়। সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু আপিল গ্রহণ করা হবে কি হবে না সেটি আদালতের ওপর নির্ভর করবে।"

আইনি প্রক্রিয়া কী কী?

২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২০২৫ সালের ১৭ই নভেম্বর এই রায় ঘোষণা করা হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩ এর আপিলের অধিকার সংক্রান্ত ২১ ধারায় বলা হয়েছে, দণ্ডিত ব্যক্তি, সরকার বা অভিযোগকারীকে তাদের বিরুদ্ধে যে কোনো দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর কোনো আপিল করা যাবে না।

এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানান, আপিলের নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল করার নজির রয়েছে।

সম্প্রতি একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম আজাদ এরকম একটি আপিল করার সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান মি. ইসলাম। ওই মামলায় পলাতক ছিলেন মি. আজাদ।

"যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত দুই-একজন আপিল ফাইল করেছেন। সেখানে আমাদের আপিল বিভাগ সংবিধানের আর্টিকেল ১০৪ এর আওতায় 'প্রিন্সিপল অব কমপ্লিট জাস্টিস' ওই নীতিতে অনেকের আপিল নিয়েছেন," বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে, তবে ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার মুভমেন্টের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই; কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে তার কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে।

"একজন ফিউজিটিভের পক্ষে কোনো আইনগত সুবিধা পাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। তাকে অবশ্যই আসতে হবে, এই ট্রাইব্যুনালেই সারেন্ডার করতে হবে," বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

"এই ট্রাইব্যুনালেই সারেন্ডার করেই তাকে জেলে যেতে হবে এবং সেখান থেকে তাকে আপিল ফাইল করতে হবে বা যেই প্রক্রিয়ায় তিনি যেতে চান। সেক্ষেত্রে আপিল শুনানি সাপেক্ষেই কেবল পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব তার আগে নয়" বলেন মি. ইসলাম।

সংবিধানের আর্টিকেল ১০৪ এ বলা হয়েছে, "কোনো ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোনো দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপিল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোনো মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রি বা রিট জারি করিতে পারিবেন।"

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপিলের নির্ধারিত সময় পার হলেও সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।

তবে মৃত্যুদণ্ডের যেই মামলাটি এক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সেটি হলো, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার মামলাটি।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়। এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ল্যান্সার এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ পলাতক ছিলেন।

সর্বোচ্চ আদালতে মামলাটির আপিল শুনানি শেষে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। তাদের মধ্যে এখনো বেশ কয়েকজন পলাতক।

পলাতক মি. আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যর্পিত হয়ে বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করেন। পরে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে আপিল করার অনুমতি দেয় আপিল বিভাগ।

বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমান হত্যায় পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

অর্থাৎ, পলাতক ব্যক্তিকে নির্ধারিত সময়ের পরে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে গিয়ে আপিলের বিলম্বিত আবেদন করতে হবে। সেটি গ্রহণ করা হবে কি না, সেটি সম্পূর্ণ আদালতের ওপর নির্ভর করে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা বলছেন, কোনো মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় থাকলে দণ্ডিত ব্যক্তির বক্তব্য শোনার সুযোগ না দিয়ে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়, এটি ন্যায়বিচারের একটি মৌলিক নীতি, ন্যাচারাল জাস্টিসের প্রশ্ন।

সেক্ষেত্রে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করেই শেখ হাসিনা আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ ও ফৌজদারি আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, "কারো কথা না শুনে তাকে দোষী বলা উচিত নয়। উনি যদি এখানে এসে আপিল করতে চান, সেটা অনমেরিটে ডিসপোজাল বা নিষ্পত্তি করতে হবে। এটা কোয়েশ্চেন অব ন্যাচারাল জাস্টিস।"

বাংলাদেশের আদালতে এটি একটি "কাস্টম বা প্রথা" বলে জানান তিনি।

এই ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির অর্থ হলো, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দিতে হবে, বলেন মি. শাহজাহান।

'দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার লাগবে ট্রাভেল পাস'

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলছিলেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার লাল পাসপোর্ট পরবর্তী সরকার বাতিল করলে এই মুহূর্তে হয়তো তার কাছে বৈধ পাসপোর্ট নেই। ফলে বিমানে দেশে ফিরতে তার ট্রাভেল পাস লাগবে।

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শেখ হাসিনার আমলে ভারত থেকে ফেরার জন্য সেসময় ট্রাভেল পাস চেয়েও পাননি, অতীত উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।

"ওনার তো এখন ভ্যালিড পাসপোর্ট নাই এখন। সেক্ষেত্রে তিনি ট্রাভেল পাস চাইলে সেটি দেওয়ার এখতিয়ার সরকারের। আমাদের দেশে আগেও দেখেছি, সরকার যদি বিরুদ্ধে থাকে তাহলে সেটি দেয় না। সরকার ট্রাভেল পাস দিলে দেশে আসতে পারবেন তিনি। তার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে বাধা হলো এটি," বলেন মি. মোরসেদ।

যেহেতু গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে, তাই ট্রাভেল পাস পেয়ে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার হবেন বলে জানান তিনি।

মি. মোরসেদ জানান, সুপ্রিম কোর্ট রুলস অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল না করলে কেন দেরিতে করেছে সেই ব্যাপারে "একটি কনডোলেশন এপ্লিকেশন" দিয়ে আপিল করতে পারবে।

নিয়মানুযায়ী, শেখ হাসিনা আপিল করলে মৃত্যুদণ্ড 'স্টে' বা স্থগিত হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

মি. মোরসেদ বলেন, "নিরাপত্তার কারণে তিনি বিদেশে আছেন, আসতে পারেননি- আপিল দেরিতে করার কারণ হিসেবে এ সমস্ত গ্রাউন্ড যুক্তিযুক্ত হবে। আদালত আপিল শোনার পরে প্রথমেই তো শেখ হাসিনার আইনজীবীরা স্টে চাইবেন। স্টে হবে। তারপর মূল আপিলের শুনানি হবে।"

ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার চিঠি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের অনুপস্থিতিতে বিচার এবং মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।

সংস্থাগুলো সেসময় বিবৃতিতে মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

এই রায়ের পাঁচ মাসের মাথায় পহেলা এপ্রিল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি ল ফার্ম কিংসলি ন্যাপলির মাধ্যমে "এই বিচার প্রক্রিয়া এবং রায়কে, অবৈধ ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি" দাবি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন শেখ হাসিনা।

সেসময় দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ আলী আরাফাত বিবিসি বাংলাকে এই চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

এতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে যেভাবে বিচার করা হয়েছে, তাতে "আন্তর্জাতিক আইন এবং ন্যায্য বিচারের মৌলিক মানদণ্ড" লঙ্ঘন হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, এই প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা "সামারি এক্সিকিউশন" বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এদিকে, চিফ প্রসিকিউটর মি. ইসলাম মঙ্গলবার বিবিসি বাংলার কাছে দাবি করেছেন, যে ল ফার্ম থেকে ট্রাইব্যুনালে চিঠিটি এসেছিল সেটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, অনলাইনে সার্চ করে ওই ল ফার্মের বিষয়ে অথেনটিক কিছু পাওয়া যায়নি অথবা সশরীরে কেউ না আসায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখা হয়নি।

মি. ইসলাম বলেন, "একটা চিঠি এসেছিল ট্রাইব্যুনালকে অ্যাড্রেস করে। সেখানে একটা ল ফার্মের ঊধ্বৃতি দিয়ে সেই চিঠিটা এসছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই ল ফার্মের কোনো অস্তিত্ব ইনফ্যাক্ট আমরা আসলে ওইভাবে খুঁজে পাইনি। আর চিফ প্রসিকিউটরকে অ্যাড্রেস করে কোনো চিঠি আসেনি। সেই জন্য অফিসিয়ালি আমি চিঠির বিষয়বস্তু বলতে পারি না।"