পত্রিকা: 'সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটিতে যাবে না জামায়াত-এনসিপি'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Constitution amendments: Jamaat, NCP set to skip special JS committee; অর্থাৎ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটিতে যাবে না জামায়াত-এনসিপি।

এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠন এবং তাতে বিরোধী দলেরও যুক্ত হওয়ার যে প্রস্তাব সরকার দিয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করতে চলেছে সংসদের বিরোধী দল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর বিরোধী শিবির থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে উল্লেখিত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি আসছিল। এজন্য তারা মাঠেও নেমেছে।

যদিও বিএনপি সরকারের যুক্তি, সংবিধানে এ ধরনের পরিষদের কোনো বিধান নেই।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের পরিবর্তে গত ২৯শে এপ্রিল সরকার ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেয় এবং বিরোধী দল থেকে পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়।

জবাবে জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রাথমিকভাবে বলেছিলেন, এর জন্য নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে আরও সময় প্রয়োজন।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, দলটি কোনো নাম জমা দেবে না। তারা বিশেষ সংসদীয় কমিটির কোনো কার্যকারিতা দেখছেন না।

তার দাবি, বিএনপি যা চায়, তাই চাপিয়ে দেওয়া হবে এই কমিটির মাধ্যমে।

এই ইস্যুতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সংসদের ভেতরে ও বাইরে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন জামায়াতের এ নেতা।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আমরা জামায়াতের উত্তরের অপেক্ষায় আছি। তারা রাজি না হলে আমরা দলীয় ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

জ্বরের ৯৮% রোগীর ছিল চিকুনগুনিয়া— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, গত বছর সারাদেশে ব্যাপক মাত্রায় জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় মশাবাহিত গুরুতর রোগ চিকুনগুনিয়া শনাক্ত হয়েছিল। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তা ধরা পড়েনি।

ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাঁচটি হাসপাতালের ৪৪২ জন রোগীর ওপর একদল চিকিৎসক-গবেষক গবেষণা চালান, তাতে ওঠে আসে গত বছর জ্বরে আক্রান্ত ৯৮ শতাংশ রোগী পরবর্তী সময়ে চিকুনগুনিয়ায় সংক্রমিত হয়েছেন।

তারা জানান, তাদের গবেষণা ছিল বহুমাত্রিক ক্রস-সেকশনাল। গত বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে এটি পরিচালিত হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর ৬০ শতাংশ নারী এবং ৪০ শতাংশ পুরুষ। অনেককেই জ্বরে ভুগতে হয় টানা কয়েক সপ্তাহ।

প্রশিক্ষণের গন্তব্য এখন পাকিস্তান— প্রথম আলোর শেষের পাতার সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের গন্তব্য দীর্ঘদিন ধরে ছিল ভারত। এর শুরুটা হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০১৪ সালে।

তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই কার্যক্রম এখন বন্ধ। তাই প্রথমবারের মতো কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণে গেলেন পাকিস্তানে।

নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় সরকারের ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বর্তমানে পাকিস্তানের লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে (সিএসএ) প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, লাহোরে প্রশিক্ষণের জন্য পাকিস্তান সরকার বিভিন্ন সময় চিঠি দিয়ে বাংলাদেশকে জানিয়েছিল; কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাতে সাড়া দেওয়া হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি (বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব) পাকিস্তান সফরে গেলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। তখন পাকিস্তানের প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়।

এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমন্ত্রণপত্র পাঠায়। এর ভিত্তিতেই এবার কর্মকর্তাদের পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছে।

এই খবরে বলা হচ্ছে, জনতা ব্যাংকের বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৭০ শতাংশই খেলাপির খাতায় উঠেছে, যার পরিমাণ প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি সংরক্ষণও করতে পারছে না ব্যাংকটি।

এতে গত বছরের শেষে ব্যাংকের প্রকৃত মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ৬৪ হাজার ৪০৬ কোটি টাকায় ঠেকে।

বিতরণকৃত ঋণের দুই-তৃতীয়াংশ খেলাপি হয়ে যাওয়ার ধাক্কায় জনতা ব্যাংকের আয়েও বিপর্যয় নেমেছে।

২০২৫ সালে ব্যাংকটির সুদ খাতে লোকসান ৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা। ব্যাংকটি এখন টিকে আছে সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ড থেকে প্রাপ্ত সুদ আয়ের ওপর।

গত বছর বিনিয়োগ বা সরকারি কোষাগার থেকে ব্যাংকটি তিন হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা আয় করেছে। এরপরও বছর শেষে তিন হাজার ৯৩১ কোটি টাকা নিট লোকসান দিয়েছে জনতা ব্যাংক।

রেকর্ড ঋণের বিলাসী বাজেট— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, তহবিল সংকটে সরকার ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ধার করে চলছে। বাড়ছে বিদেশি ঋণও।

এমন অবস্থায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী বাজেট দিতে যাচ্ছে সরকার।

এই বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।

বাকি অর্থের বড় অংশই পূরণ করা হবে দেশি-বিদেশি ঋণের মাধ্যমে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা।

পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ে ঘাটতির শঙ্কা মাথায় রেখে বাজেট সহায়তা হিসেবে আরো প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ইআরডি সূত্র বলছে, আগামী অর্থবছরে যত টাকা বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, এত ঋণ এর আগে কখনো নেওয়া হয়নি।

গত অর্থবছরের মূল এডিপির তুলনায় এবার ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে ২৪ হাজার কোটি টাকা।

আর সংশোধিত এডিপির তুলনায় প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে।

অর্থাৎ প্রায় ৫২ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বাড়ছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান খবর— হামের চিকিৎসায় চাপে পরিবার

এই খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি হিসাবেই চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশজুড়ে অন্তত ৫৯ হাজার শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে অন্তত পৌনে ৩৭ হাজার শিশু।

আক্রান্ত শিশুদের সিংহভাগের পরিবারই চিকিৎসা ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের কারণে চাপের মুখে পড়েছে।

হামে আক্রান্ত শিশুকে একটি হাসপাতালে নিলেই সুস্থ হচ্ছে, এমন ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। শিশুদের নিয়ে ছুটতে হচ্ছে একাধিক জায়গায়।

এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে খরচ তুলনামূলকভাবে কম হলেও বাস্তবে ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর বড় অংশ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।

নিউমোনিয়া , শ্বাসকষ্টসহ জটিলতা দেখা দিলে একাধিক হাসপাতাল যেতে বা নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ/পিআইসিইউ) সেবা নিতে খরচ কয়েক গুণ বাড়ছে।

এর সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স , যাতায়াত ও দীর্ঘ সময় হাসপাতালে অবস্থানের খরচ পরিবারগুলোকে বিপদে ফেলছে।

'অপপ্রচারের' বিরুদ্ধে মাঠে নামছে বিএনপি— যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে 'অপপ্রচারের' বিরুদ্ধে বিএনপির মাঠে নামার কথা বলা হয়েছে এই খবরে।

একই সঙ্গে সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপ তৃণমূলে তুলে ধরতেও ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সারাদেশের জেলা ও মহানগরে কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদের জন্য তৎপর সরকারদলীয় এমপিরা— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদের আসন্ন বাজেট অধিবেশনেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

মোট ৫০টি সংসদীয় কমিটির মধ্যে ইতোমধ্যে পাঁচটি কমিটি গঠন করা হলেও বাকি মন্ত্রণালয়ভিত্তিক স্থায়ী কমিটিগুলো নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা, হিসাব-নিকাশ ও তদবির।

বিশেষ করে সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ পেতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটের সংসদ সদস্যদের মধ্যে তৎপরতা বেড়েছে।

আলোচনা হচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোটেও।

সাধারণত যেসব জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পান না কিংবা জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পান না, তাদের সংসদীয় কমিটির সভাপতি করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মর্যাদা দেওয়া হয়।

যদিও এসব কমিটির কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই, তারপরও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তদারকি, জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ, নথিপত্র তলব এবং কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা থাকায় সংসদীয় কমিটিগুলোকে কার্যত সরকারের ওপর সংসদের 'ওয়াচডগ' হিসেবে দেখা হয়।

দুই নীতিমালায় পুলিশে চাপা অসন্তোষ— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা পুলিশের উপপরিদর্শক, সহকারী উপপরিদর্শক ও কনস্টেবলদের পদায়ন ও বদলিসংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যের মধ্যে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ নীতিমালার কারণে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের।

আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ নীতিমালা অনুসরণে ব্যত্যয়ও ঘটছে, যা অনিয়মের প্রশ্রয় দিচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা নারী ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের পদায়ন নীতিমালা নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ওই নীতিমালায় কেবল নির্দিষ্ট ব্যাচের কর্মরতদের নিজ জেলা বা পছন্দসই জেলায় পোস্টিং পাওয়ার বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এসব 'বৈষম্যমূলক নীতিমালা' বহাল থাকায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Padma barrage project gets ECNEC nod; অর্থাৎ পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।

এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে কয়েক দশক ধরে আলোচনায় থাকা পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ভারত সীমান্তে অবস্থিত বিতর্কিত ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে বাংলাদেশে হওয়া পরিবেশগত ক্ষতি পূরণ করাই প্রকল্পটির লক্ষ্য।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার মূল বাঁধ নির্মাণ করা হবে, যার মাধ্যমে ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা যাবে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ব্যারাজটি চালু হলে ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে প্রায় ১৯ লাখ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে।

পাশাপাশি বাংলাদেশের দক্ষিণে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ও এর সংলগ্ন জেলাগুলোতে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা রোধ করা সম্ভব হবে।