পত্রিকা: 'প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিউ ইয়র্কে আ'লীগ-বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে নিউ ইয়র্কে বিএনপির নেতাকর্মীরা ব্যানার-পোস্টার লাগান। পরে সেগুলো আওয়ামী লীগের কে বা কারা ছিঁড়ে ফেলে। এ নিয়ে রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ইত্যাদি বাজারের সামনে এই ঘটনা ঘটে। তবে নিউ ইয়র্ক সিটির বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

দীর্ঘ ২০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ৩৫ সদস্য নিয়ে তিনি নিউ ইয়র্কে আসছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর স্মরণীয় করে রাখতে নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিভিন্ন ধরনের পোস্টার ও ব্যানার লাগিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তা ছাড়া গত এক মাস ধরে বিভিন্ন রকম প্রস্তুতি সভা করেছেন।

অন্যদিকে তারেক রহমানের সফর ঠেকাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নেতাকর্মীরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়দিন ধরে উত্তেজনা দেখা দেয়।

একপর্যায়ে রোববার বিকেলে জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি বাজারের সামনে একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কেউ। এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ মিছিল বের করেন।

নয়াদিগন্ত
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

খবরে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেই। অথচ বাংলাদেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন—চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই পৌঁছেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও সরবরাহ সংকটে চলতি মাসে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ প্রায় ১১০ ডলারে উঠলেও তা চলতি বছরের এপ্রিল কিংবা ২০০৮ সালের রেকর্ড দামের তুলনায় অনেক কম।

অতীতের বড় বৈশ্বিক জ্বালানি তেল সংকটের সময় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম রেকর্ড বা রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছার পর দেশে বড় মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল।

এবার বিশ্ববাজার সেই পর্যায়ে না উঠতেই সরকার চার ধরনের জ্বালানির দাম একসঙ্গে লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর তিন দফায় মূল্য সমন্বয়ের পর ডিজেলের দাম মোট ৩৫ টাকা, কেরোসিন ৪৩, পেট্রল ৪৪ ও অকটেন ৪৫ টাকা বেড়েছে। এপ্রিলের আগের দামের তুলনায় এখন এসব জ্বালানির মূল্য প্রায় ৩৫ থেকে ৩৮ শতাংশ বেশি।

দেশে যখন এ মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হয়েছে, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল না। সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কারণে চলতি মাসের মাঝামাঝি ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারের দিকে উঠেছিল।

তবে ১৮ই সেপ্টেম্বর আবার কমে ১০৪ ডলারে নামে। এমনকি গতকাল রাত ৯টার দিকে ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৯৯ ডলার।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাসের ভাড়া বাড়ছে। গত রোববার মধ্যরাতে ডিজেলের বর্ধিত দাম কার্যকরের পর বেড়ে গেছে পরিবহন ব্যয়। বেসরকারি কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ 'ফুয়েল সারচার্জ' আরোপ করেছে।

সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া কিলোমিটারে দূরপাল্লায় ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে। যদিও আসনবিন্যাসের কারণে ভাড়া বাড়বে আরও বেশি।

তবে সরকারের অনুমোদন পাওয়ার আগেই গতকাল সোমবার বিভিন্ন রুটের বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। লঞ্চের ভাড়ার বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের আগেই খেয়া ও নৌপথে পণ্য পরিবহনে খরচ বেড়েছে।

রাজধানী ঢাকার কিছু বাসে গতকালই বর্ধিত ভাড়া নেওয়া হয়। রাজধানীর ফার্মগেট থেকে যাত্রাবাড়ী হয়ে সাইনবোর্ডের দূরত্ব ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার।

কিলোমিটারে দুই টাকা ৫৩ পয়সা হিসাবে এ পখের ভাড়া ৩৭ টাকা। তবে এই হিসাবে রুটের লাব্বাইক পরিবহনে আগেই নেওয়া হতো ৪০-৪৫ টাকা। ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে গতকাল নেওয়া হয় ৫০ টাকা। দূরপাল্লার বাসেও ভাড়া বৃদ্ধির খবর মিলেছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে ট্রাকে পণ্য পরিবহনেও অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সবজিসহ পণ্য ট্রাকে ঢাকায় আনতে খরচ বেড়েছে। এতে চাপ পড়বে ভোক্তাদের ওপর।

সমকাল

'মরিয়মের আত্মহননের নেপথ্যে' মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, 'বিয়ের পর থেকেই গাজী নজরুল ও তার স্ত্রী মাকসুদা আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। আমার মেয়ে প্রায়ই আমাকে ফোনে বলতো। সেই নির্যাতন থেকেই আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। আর এই সবের মূলহোতা হলো আমার শ্যালক ওবায়দুর। ওর জন্যই আমি এমপি'র সঙ্গে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি হয়েছি। এমপি'র সঙ্গে বিয়ে না হলে আজ এতকিছু হতো না।'

গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে মেয়ের লাশ নিতে এসে অশ্রুশিক্ত হয়ে এসব কথা বলছিলেন নিহত মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। এ সময় মরিয়মের বোন, মা-সহ পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ সদস্যদের বরাদ্দকৃত ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার সময়ে ওই ফ্ল্যাটেরই আরেক কক্ষে এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় রোববার রাতেই নজরুল ও মাকসুদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ। ওই রাতেই শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা করেন মারিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ।

মামলায় মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ তার মেয়ের লাশের পাশের বিছানা থেকে একটি সুসাইড নোট পাওয়ার কথা উল্লেখ করলেও পুলিশের ভাষ্য পাঁচটি সুসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে ক্রাইমসিন থেকে।

 মানবজমিন

'ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম দেখাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম দেখাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল সোমবার রাজধানীর চারটি হাসপাতালে ৬১ শতাংশ রোগী কম দেখানো হয়েছে।

প্রথম আলোর দুজন প্রতিনিধি গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে ডেঙ্গু রোগীর তথ্য সংগ্রহ করেন।

এতে দেখা যায়, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা কম দেখানো হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

ঢাকা মহানগরের ৭৭টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের এবং ৬৪ জেলার সব সরকারি ও কিছু বেসরকারি হাসপাতালের ডেঙ্গুর পরিসংখ্যান নিয়মিত প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম।

এই পরিসংখ্যান দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ আকারে প্রকাশ করে। একই পরিসংখ্যান বিভিন্ন দাতা সংস্থা, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারের নীতিনির্ধারকেরা ব্যবহার করে।

গতকাল সন্ধ্যায় হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমত আরা প্রথম আলোকে বলেন, 'হাসপাতাল থেকে যে পরিসংখ্যান পাঠানো হয়, আমরা সেটিই প্রকাশ করি। ভুল পরিসংখ্যান প্রকাশ করার কোনো সুযোগ নেই।'

প্রথম আলো

'শিক্ষিত তরুণদের ৩৬% বেকার' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বড় একটি অংশ চাকরি পাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী উচ্চশিক্ষিত তরুণদের প্রায় ৩৬ শতাংশই বেকার।

দেশের সামগ্রিক তরুণ বেকারত্বের হার যেখানে প্রায় ১০ শতাংশ, সেখানে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার সাড়ে তিন গুণ।

আইএমএফের 'ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' সাময়িকীর সেপ্টেম্বর সংখ্যায় এ গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তরুণদের বেকারত্ব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, এশিয়াজুড়ে তরুণদের বেকারত্ব একটি বড় সমস্যা হলেও সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব দেখা যাচ্ছে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে।

দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কায় উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৪৩ শতাংশ। ভারতে এই হার প্রায় ৪২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৩৬ শতাংশ। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে হার তুলনামূ লক কম। ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৮ শতাংশ, ভিয়েতনামে ১৬ শতাংশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে ১৩ শতাংশ এবং ফিলিপাইনে প্রায় ১২ শতাংশ উচ্চশিক্ষিত তরুণ বেকার। সিঙ্গাপুরে এই হার প্রায় ৮ শতাংশ।

আইএমএফের হিসাবে, বাংলাদেশে সামগ্রিক তরুণ বেকারত্বের হার প্রায় ১০ শতাংশ। ফলে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের সঙ্গে সামগ্রিক তরুণ বেকারত্বের বড় ব্যবধান রয়েছে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীসহ সারা দেশে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পেছনে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে গত কয়েক দিনে যেসব বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে, সেসব বেশির ভাগ বাসের মালিক আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী ও নেতা।

নিজেদের মালিকানাধীন বাসে আগুন দিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের চেষ্টা করছে তারা। নাশকতা সৃষ্টি করে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করার পাশাপাশি আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা এবং সহানুভূতি আদায় করে বিমার টাকা দাবি করাই তাদের লক্ষ্য। তবে নাশকতায় অর্থ জোগানদাতা ও মূল নির্দেশদাতাদের তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে, রাজধানীর ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় 'হিট অ্যান্ড রান' কৌশল অবলম্বন করে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে নাশকতা সৃষ্টির মিশন নিয়ে কাজ করছে নিষিদ্ধ দলটি। পুলিশের ভাষায় 'হিট অ্যান্ড রান' হলো ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত পলায়ন করা। এমন কৌশলই আপতত ব্যবহার করছে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটি।

তবে তাদের এই পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীতে এসআরবি (স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন), ডিএমপি, ডিবি এবং সিটিটিসি একযোগে মাঠে কাজ করছে। রাজধানী ছাড়াও দেশের সব বিভাগ ও জেলায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

যুগান্তর

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Mymensingh bears the brunt of nation's load shedding' অর্থাৎ 'লোডশেডিংয়ের ধকল সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহে' ।

খবরে বলা হচ্ছে, চলমান বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে ময়মনসিংহের পরিস্থিতি সবচেয়ে শোচনীয়। জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি সত্ত্বেও এই অঞ্চলটিকে লোডশেডিংয়ের বড় অংশের বোঝা বহন করতে হচ্ছে।

১৫ই সেপ্টেম্বর প্রায় দুই মাস ধরে চলা সংকট কাটিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়। তখনও দেশের মোট লোডশেডিংয়ের ৪৪ শতাংশই ছিল ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ অঞ্চলে। অথচ জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ৯ শতাংশ এই এলাকার।

রাত ৯টার দিকে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর ও শেরপুরে ১,৬৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৪৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দেয়।

চলতি বছরের মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে সারা দেশে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে (পিক-আওয়ার) হওয়া লোডশেডিংয়ের ৩৭ শতাংশই ছিল ময়মনসিংহে। যা ঢাকার ১৫ শতাংশের দ্বিগুণেরও বেশি। ১২ শতাংশ নিয়ে খুলনা ছিল তৃতীয় স্থানে।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম 'Opposition parties demand withdrawal of fuel price hike' অর্থাৎ 'জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি বিরোধী দলগুলোর'।

খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ও বামপন্থি দলগুলো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তারা। তারা বলছে, মানুষ ইতিমধ্যেই জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে হিমশিম খাচ্ছে।

তবে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরেও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক দেশের দাম বেশি।

গতকাল সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত জামায়াতের এক সমাবেশে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই মূল্যবৃদ্ধি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে এবং জনগণের দুর্ভোগ বাড়াবে। সরকার গত সাত মাসে তিনবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। অবিলম্বে সর্বশেষ এই মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

নিউ এইজ