পত্রিকা: 'জরুরি বৈঠক ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৬ মিনিট

গ্রাহকদের ব্যাপক আমানত প্রত্যাহারের কারণে সৃষ্ট তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা নগদ সহায়তা এবং আরটিজিএস সেবা সচল রাখতে আরও ৫০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। যদিও ব্যাংকটি মোট ১০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটির শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তন এবং নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে ঘিরে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়।

এর প্রভাবে মাত্র এক সপ্তাহে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার আমানত তুলে নেয়া হয়, যা ব্যাংকটির তারল্য ব্যবস্থাপনায় বড় চাপ সৃষ্টি করে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষিত হিসাবেও প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রথম ধাপে এই সহায়তা দেয়া হয়েছে।

এর আগে গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ইসলামী ব্যাংকের সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে এবং গ্রাহকদের টাকা উত্তোলনে সমস্যা হবে না।

মানবজমিন

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- BB dissolves Islami Bank board, removes chairman

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

বাংলাদেশ ব্যাংক গভীর তারল্য সংকট এবং ব্যাপক আমানত উত্তোলনের পরিস্থিতির মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে এবং চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে অপসারণ করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ এর ৪৫ ও ৪৭(৩) ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ব্যাংক, আমানতকারী এবং জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করা হয়।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাহির হোসেনকে ব্যাংকের পূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন থেকে পর্ষদের সব ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২৫০০ কোটি টাকার বিশেষ তারল্য সহায়তা প্রদান করে, যদিও ব্যাংকটি ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি সহায়তা চেয়েছিল।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গ্রাহকরা দৈনিক প্রায় ১০০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকা করে তুলে নিয়েছেন, যার ফলে মে মাসের শেষ দিক থেকে মোট উত্তোলন প্রায় ৮০০০ কোটি টাকায় পৌঁছায়।

চেয়ারম্যান নিয়োগকে ঘিরে আস্থাহীনতা এবং আন্দোলনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, যেখানে গ্রাহকরা নগদ উত্তোলন ও চেক নগদায়নে সমস্যার অভিযোগ করেন।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Bangladesh starts getting 40MW from Nepal

নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু হয়েছে বাংলাদেশে, যা গত রাত থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

এই বিদ্যুৎ ভারতীয় ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহার করে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় বছরের মতো এ ধরনের হাইড্রোপাওয়ার বাণিজ্য।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে India-Nepal জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটি নীতিগতভাবে এই ৪০ মেগাওয়াট রপ্তানির বিষয়ে সম্মত হয় এবং একই বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তবে আরও ২০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানির পরিকল্পনা ভারতীয় ট্রান্সমিশন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে বাস্তবায়ন করা যায়নি।

ঢাকায় নেপালের রাষ্ট্রদূত এই উদ্যোগকে দুই দেশের জ্বালানি বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

এটি দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ সহযোগিতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্টা

২০২৬ ২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টসহ কিছু বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া ব্যাংক হিসাব খুলতে সবার জন্য ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব এসেছে।

সরকারের যুক্তি, করের আওতা বাড়ানো, আয় ও সম্পদের তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করা এবং করফাঁকি কমাতেই এই উদ্যোগ।

তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষিশ্রমিক বা নিম্ন আয়ের মানুষের মতো যাদের করযোগ্য আয় নেই, তাদের জন্য নতুন শর্তটি উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বিশ্ব ব্যাংকের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডেটাবেজ ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনো ৫৭ শতাংশ মানুষ আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে এবং মাত্র ৪৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ব্যাংক বা আর্থিক হিসাব রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত আর্থিক অন্তর্ভুক্তির গতি কমিয়ে দিতে পারে বলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আজকে পত্রিকা

রাজধানীর গুলশানে সরকারি অর্থে সংস্কার ও উন্নয়ন করা পার্ক ও মাঠ পরিচালনার দায়িত্ব বিভিন্ন ক্লাব ও সোসাইটির হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজউক ও সিটি করপোরেশনের বিরুদ্ধে।

২০২২ সালে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার শেষে উদ্বোধন হওয়া শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্কের পরিচালনার দায়িত্ব পরে দেওয়া হয় গুলশান ইয়ুথ ক্লাবকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ক্লাবটি পার্কের নকশায় পরিবর্তন এনে অবকাঠামো নির্মাণ করেছে এবং মাঠ ব্যবহারে ঘণ্টাপ্রতি ফি আদায় করছে।

একইভাবে সংস্কার শেষে সবার জন্য উন্মুক্ত ঘোষিত শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের বাস্তব চিত্রও ভিন্ন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বর্তমানে পার্কটির নিয়ন্ত্রণ গুলশান ও নিকেতন সোসাইটির হাতে এবং তাদের সিদ্ধান্তেই পার্ক খোলা বা বন্ধ রাখা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করার অভিযোগও রয়েছে।

নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, জনগণের অর্থে উন্নয়ন করা পার্ক ও মাঠ কোনো ক্লাব বা সোসাইটির কাছে হস্তান্তর করা আইনসম্মত নয়।

বণিক বার্তা

প্রথম আলোর শীর্ষ খবর- বেনজীরের 'অপরাধ নজিরবিহীন'। এ খবরে বলা হচ্ছে- দেশের একসময়কার সবচেয়ে ক্ষমতাধর পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন বেনজীর আহমেদ।

পুলিশের শীর্ষ পদ তথা মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দায়িত্ব পালন করেছেন দুই বছরের বেশি।

কিন্তু দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ নিয়ে দেশ ছাড়তে হয় তাঁকে। এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছিল।

১২ জুন আরব আমিরাত ই–মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায়।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছিল।

প্রথম আলো

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- তিন বিষয়ে তীব্র বিতর্কে সংসদ উত্তপ্ত

নিখোঁজ ছাত্রশিবির নেতা জিসানকে উদ্ধার, জামায়াতের নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য ও পুশ ইন আলোচনা স্থগিত করা নিয়ে সরকারের মন্ত্রী, বিরোধীদলীয় উপনেতা ও সংসদ সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সংসদে তীব্র হট্টগোল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে রুলিং দিয়ে স্পিকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

গতকাল রবিবার বিকেলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ নিয়ে অধিবেশনকক্ষে হট্টগোল সৃষ্টি হয়।

স্পিকার মাইক বন্ধ করে দিলেও তর্কে জড়িয়ে পড়েন সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা।স্পিকার বারবার থামানোর চেষ্টা করতে থাকেন।

কিন্তু বিরোধীদলীয় সদস্যরা দাঁড়িয়ে হট্টগোল করতেই থাকেন। পরে স্পিকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার রুলিং দেওয়া হয়।

কালের কণ্ঠ

সবকিছু ঠিক থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই এবার অস্ত্র হাতেই মাঠে নামতে যাচ্ছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)।

ইতোমধ্যে অভিযান সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ হয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে অস্ত্র কেনার প্রক্রিয়া চলছে।

অস্ত্র হাতে আসা মাত্র নতুন উদ্যমে অভিযানে সক্রিয় হবেন তারা। তবে এবার শুধু মাদকসেবী কিংবা খুচরা বিক্রেতা নয়, আড়ালে থাকা গডফাদারদেরও ধরা হবে।

তবে যুগান্তরের কাছে বিশ্লেষকরা নানা সংশয় প্রকাশ করে বলছেন, এক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা আরও স্পষ্ট হতে হবে।

কেননা, সব সরকারের আমলেই মাদক গডফাদাররা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে থাকে। এমনকি তাদের এমপি বানাতেও দেখেছেন দেশবাসী, যা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক।

যুগান্তর

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর - ভারতের 'পুশইন' মুসলিম কমানোর কৌশল

খবরে বলা হয়েছে, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজনৈতিক সফলতার পর বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের 'পুশইন' বা জোরপূর্বক পুশব্যাক করার উসকানিমূলক তৎপরতা হঠাৎ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার এখন আসামের মতোই রাজ্যটিতে মুসলিম জনগোষ্ঠী কমানোর কৌশলগত লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এরই অংশ হিসেবে অনেক বাংলাভাষী ভারতীয় মুসলিমকেও 'অবৈধ বাংলাদেশী' আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভারতের বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থাও বিজেপি সরকারের এই বৈষম্যমূলক প্রয়াসের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

অন্য দিকে ভারতের এই আকস্মিক ও আগ্রাসী তৎপরতা রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক সীমান্তরক্ষী মোতায়েন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বর্তমানে বিজিবির প্রায় ৬০ হাজার সদস্য চার শিফটে বিভক্ত হয়ে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন।

নয়া দিগন্ত

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তিন বছর পরও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা।

পুড়ে যাওয়া মার্কেটের জায়গায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নতুন কমপ্লেক্স নির্মাণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ৯৬১ জন ব্যবসায়ীকে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

দোকানের কিস্তি পরিশোধ শুরু করলেও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, তৃতীয় কিস্তির সঙ্গে প্রত্যেককে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হচ্ছে, যেখানে আগের কিস্তিতে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫০০ টাকা।

ফলে আগের তুলনায় প্রায় সাত গুণ বেশি অর্থ দিতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, আদায় হওয়া অর্থের একটি অংশ সিটি করপোরেশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কাছেও পৌঁছাচ্ছে।

ডিএসসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত অগ্রিম সালামির টাকা পে অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে বলা হয়েছে।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপায় না থাকায় তারা অতিরিক্ত অর্থ দিয়েই কিস্তি পরিশোধ করছেন, যা পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

দেশ রূপান্তর