লাইভ , ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছে এবং সেনেট পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আছে, মিলছে পূর্বাভাস
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
সরাসরি কভারেজ
রিপোর্টিংয়ে সজল দাস, সম্পাদনায় ফৌজিয়া সুলতানা
ইরানে 'বড় ধরনের আঘাতে'র ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ছবির উৎস, Getty Images
ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র হামলার পরিকল্পনা করছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, সে বিষয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কিছুক্ষণ আগে ফক্স নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, “আমাদের বড় কিছু করতে হবে”। তিনি যোগ করেন, এতে “একটি বড় ধরনের আঘাত” অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, “তাদের কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।”
এরপর তিনি স্বীকার করেন যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তার ভাষায়, জ্বালানির জন্য বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হওয়ায় মানুষ “এটি পছন্দ করেনি।”
‘তারা ভালো কাজ করেছে'- ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ট্রাম্প
ছবির উৎস, AFP via Getty Images
ছবির ক্যাপশান, সমর্থকদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ফাইল ছবি)
মধ্যবর্তী
নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা "ভালো কাজ করেছে" বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রিপাবলিকানদের
বিরুদ্ধে বিপর্যয়ের ফলাফল নিয়ে ফক্স নিউজকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।
উপস্থাপক ব্রেট
বেয়ারকে ট্রাম্প বলেছেন যে, বাতাসে একটা ‘চাপা উত্তেজনা’ ছিল। এই ফলাফলে বিস্ময়
প্রকাশ করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন,
"আমাদের অসাধারণ সমাবেশ
হয়েছিল"।
"আমি একটু অবাক হয়েছি"।
সমঝোতার সুরে তিনি
বলেন,
কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে তিনি "অনেক,
অনেক বিষয়ে" একসাথে কাজ করতে পারবেন।
মধ্যবর্তী
নির্বাচনের ফলে তার মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করে দেন।
ফলাফলের জন্য 'ভুয়া রিপাবলিকান' এবং ফক্স নিউজকে দোষারোপ করলেন ট্রাম্প
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের মুখে পড়েছে ট্রাম্পের দল
যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের জন্য 'ভুয়া রিপাবলিকান' এবং ফক্স নিউজকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ
সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, "প্রার্থীরা কেন জিতল এবং কেন হারল,
তার কারণগুলো নিয়ে ভালো-মন্দ উভয় দিক থেকেই আমি একজন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক হতে চলেছি!"
তিনি বলেন,
"টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট
যদি তার রাজনৈতিক জীবনের শেষ ছয় মাসে আরআইএনও না হতেন, তাহলে তিনি হারতেন না।"
আরআইএনও একটি সংক্ষিপ্ত রূপ যার অর্থ ‘নামমাত্র রিপাবলিকান’।
"ভেটো"
শব্দ লেখা একটি লাল টুপির ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। যা স্পষ্টতই
পরবর্তী ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসে পাস হওয়া যেকোনো আইন আটকে দেওয়ার তার
ক্ষমতার দিকে ইঙ্গিত করে।
ফক্স নিউজ নিয়েও
আপত্তি তুলেছেন ট্রাম্প। প্রশ্ন তুলেছেন যে, কেন তাদের রাজনৈতিক প্যানেলে
নিউইয়র্কের সাবেক ডেমোক্র্যাট মেয়র বিল ডি ব্লাসিওকে রাখা হয়েছে।
"ক্রমাগত ও
ধারাবাহিকভাবে ডেমোক্র্যাট বিরোধী দল এবং আরও খারাপ বিষয় তুলে ধরার মাধ্যমে
ফক্সনিউজ এই পরাজয়গুলোর জন্য দায়ী।"
প্রতিনিধি পরিষদে এখন কোন দলের কী অবস্থা?
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস
যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসি’র সহযোগী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সিবিএস-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ২৩৯টি আসন এবং রিপাবলিকানরা অন্তত ১৬১টি আসন জিতবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে মোট ৪৩৫টি আসন রয়েছে। তাই এখনো বেশ কিছু আসনের ফলাফল ঘোষণা বাকি আছে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসে, যেখানে আসনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।
এ ছাড়া মেইন এবং আলাস্কার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোয় ভোট গণনায় বেশি সময় লাগে। ফলে সেখানকার ফলাফল পেতেও অপেক্ষা করতে হতে পারে।
নিজেকে দল থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ড্যানিয়েল বুশ, ওয়াশিংটন সংবাদদাতা
ছবির উৎস, AFP via Getty Images
ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
"আমি
ব্যালটে ছিলাম না, আর যদি থাকতাম,
তাহলে আমরা বিপুল ভোটে জিতে যেতাম!"
সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ
সোশ্যালে দেওয়া এই পোস্টের মাধ্যমে ট্রাম্প তার দল থেকে নিজেকে দূরে
সরিয়ে নিয়েছেন এবং ক্রমবর্ধমান নির্বাচনী পরাজয়ের দায় রিপাবলিকান প্রার্থীদের
উপর চাপিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।
অনেক রিপাবলিকান
ইতোমধ্যেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে হতাশ ছিলেন।
প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্র হারানো এবং
সম্ভবত সেনেটও হারানোর পরিণতি নিয়ে রিপাবলিকানরা যখন ভাবতে শুরু করেছে,
তখন এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ঠিক করতে সাহায্য করবে না।
প্রতিনিধি পরিষদে জয়ের মাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে ডেমোক্র্যাটরা, সারাহ স্মিথ, উত্তর আমেরিকা এডিটর, ওয়াশিংটন থেকে
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, মার্কিন কংগ্রেস ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর এর বড় প্রভাব পড়তে পারে
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে ঠিক কত বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হবে।
তারা কি অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, যেমন গত দুই বছর ধরে রিপাবলিকানদের ছিল? নাকি তারা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে? বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।
প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া সেনেটের তুলনায় সব সময়ই তুলনামূলক সহজ হওয়ার কথা ছিল। তাই এটাকে দেখে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না যে সেনেটেও তারা অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।
তবে এটি নির্বাচনের পর সামগ্রিক প্রবণতা সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বৃদ্ধির যে ইঙ্গিত জনমত জরিপগুলোতে দেখা গিয়েছিল, তা বাস্তবতা থেকে খুব বেশি দূরে ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।
প্রতিনিধি পরিষদ যদি ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে যায়, তাহলে তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপরও বাস্তব এবং তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
তারা ট্রাম্প এবং তার পরিবারের সদস্যরা হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর কীভাবে অর্থ উপার্জন করছেন, সে বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের তদন্ত শুরু করতে পারে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার মতো আরও বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোকেও তারা খতিয়ে দেখতে পারে।
তারা তৃতীয়বারের মতো ট্রাম্পকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তবে এর পরিবর্তে তার মন্ত্রিসভার কিছু সদস্যকে লক্ষ্যবস্তু করাও তাদের কৌশল হতে পারে।
আগামী দুই বছরে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী কী অর্জন করতে পারবেন, তার ওপর এই ফলাফল উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ‘মেনে নিতে প্রস্তুত' প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
রিপাবলিকান পার্টির
ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কিছু আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের জয়ের পর, নিউ ইয়র্ক টাইমসকে নতুন প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প।
টাইমসকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে তিনি “এই ফলাফলগুলো মেনে নিতে পুরোপুরি ইচ্ছুক” এবং বিরোধী
দলের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন,
"আমরা তাদের সাথে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।"
“আমরা সম্ভবত কোনো
একটা উপায় বের করে নেব,” বলেন ট্রাম্প।
আমি ব্যালটে থাকলে বিপুল ভোটে জিতে যেতাম: ট্রাম্প
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী
নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি পরাজয়ের মুখে পড়ার পর, প্রথমবারের মতো মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে তিনি লিখেছেন যে, "আমি ব্যালটে ছিলাম না, আর যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ভোটে জিতে যেতাম!"
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন কেইশা ল্যান্স বটমস
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, কেইশা ল্যান্স বটমস
জর্জিয়ার গভর্নর
নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট কেইশা ল্যান্স বটমস জয়ী হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।
অনুমান সত্যি হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস
গড়বেন।
রিপাবলিকান রিক
জ্যাকসনের বিরুদ্ধে তার জয়ের অর্থ হলো ডেমোক্র্যাটরা গভর্নরের পদটি নিজেদের দখলে
নিয়েছে।
বটমস এর আগে ২০১৮
থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আটলান্টার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরে এবং
বাইডেন প্রশাসনে যোগ দেন।
যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসি’র সহযোগী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সিবিএস নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিচ্ছে তারা।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ২১৮টি আসনে জয়ী হবে এবং রিপাবলিকানরা অন্তত ১৬০টি আসন পাবে।
মার্কিন সেনেটে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন প্রথম সমকামী পুরুষ
ছবির উৎস, CQ-Roll Call, Inc via Getty Images
ছবির ক্যাপশান, অগাস্টে একটি প্রচার অনুষ্ঠানে ক্রিস পাপাস, (বামে) এবং তার সঙ্গী ভ্যান বেন্টলি
ডেমোক্র্যাট ক্রিস
পাপাস নিউ হ্যাম্পশায়ারের সেনেট আসনে জয়ী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানুয়ারিতে,
যখন পাপাস শপথ নেবেন, তখন তিনি মার্কিন সেনেটে নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী
পুরুষ হিসেবে ইতিহাস গড়বেন।
২০১৩ সালে,
উইসকনসিনের সেনেটর ট্যামি বাল্ডউইন, সংসদে
নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ব্যক্তি হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন।
নিউ হ্যাম্পশায়ারে
নিজের জয় উদযাপন করছেন ক্রিস পাপাস। যেখানে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন
যে, রাজ্যের ভোটারদের জন্য "আমি লড়াই করতে প্রস্তুত"।
ছবির ক্যাপশান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ
রিপাবলিকানদের পেজে একটি ছোট ভিডিও প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প।
যেখানে তিনি ভোট
দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের- ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও
লাইনে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
"হাই
রিপাবলিকানরা। আমরা খুব ভালো করছি। আপনি যদি লাইনে থাকেন, তাহলে লাইনেই থাকুন," বলেন ট্রাম্প।
ভোটের নিয়ম
অনুযায়ী,
ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সময় যেসব ভোটার ইতোমধ্যে লাইনে
থাকবেন,
তারা নিজের পালা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার শর্তে ভোট দিতে
পারবেন।
"আমরা বড়
ব্যবধানে জিততে চলেছি," যোগ করেন ট্রাম্প।
আরও পাঁচটি সেনেট আসনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা
ছবির উৎস, Scott Eisen/Getty Images
ছবির ক্যাপশান, বিভিন্ন রাজ্যের ভোটের সম্ভাব্য ফলাফল আসতে শুরু করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আরও পাঁচটি সেনেট আসনের ফলাফলের পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে, যার সবগুলোতেই ডেমোক্র্যাটদের জয় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।
ডেলাওয়্যার রাজ্যে ডেমোক্র্যাট ক্রিস কুনস তার সেনেট আসন ধরে রাখবেন বলে
অনুমান করা হচ্ছে।
ইলিনয়ের ক্ষেত্রেও
একই,
যেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন সেনেট
আসনে জয়ী হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।
ম্যাসাচুসেটসে,
ডেমোক্র্যাট সিনেটর এডওয়ার্ড জে. মার্কি তার আসন ধরে
রেখেছেন।
এছাড়া রোড
আইল্যান্ডে, ডেমোক্র্যাট
সেনেটর জ্যাক রিডও তার আসন ধরে রেখেছেন।
আর নিউ জার্সির
ডেমোক্র্যাট সেনেটর কোরি বুকারও তার আসন ধরে রাখবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।
ডেমোক্র্যাটদের জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, নর্থ ক্যারোলাইনার সেনেট নির্বাচনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ডেমোক্র্যাট রয় কুপার
সাবেক গভর্নর রয় কুপার নর্থ ক্যারোলাইনার সেনেট নির্বাচনে জয় পাবেন বলে কয়েক সপ্তাহ ধরেই ধারণা করা হচ্ছিল। কারণ জনমত জরিপে তিনি স্বচ্ছন্দ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন এবং রিপাবলিকানরা অঙ্গরাজ্যটিতে তাদের প্রচার ব্যয়ের একটি অংশ অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোর দিকে সরিয়ে নিয়েছিল।
তবুও তার বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকা একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
সর্বশেষ ২০০৮ সালে নর্থ ক্যারোলাইনায় ডেমোক্র্যাটরা সেনেট নির্বাচনে জিতেছিল। এরপর সাম্প্রতিক নির্বাচনী লড়াইগুলোতে দলটি তাদের প্রার্থীদের পক্ষে বিপুল সময় ও অর্থ বিনিয়োগ করলেও জয়ের দেখা পায়নি।
এই নির্বাচনটিকে কঠিন লড়াই হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সহজেই জয় পেয়েছেন।
এই আসনটি নিজেদের দখলে নেওয়ার ফলে এখন সেনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে ডেমোক্র্যাটদের রিপাবলিকানদের দখলে থাকা আরও তিনটি আসন নিজেদের পক্ষে আনতে হবে। একই সঙ্গে তাদের নিজেদের হাতে থাকা সব আসনও ধরে রাখতে হবে।
ফ্লোরিডায় অতীতের চেয়ে ভালো করছে ডেমোক্র্যাটরা, এমন ইঙ্গিত মিলছে, অ্যান্থনি জার্কার, ওয়াশিংটন ডিসি-তে উত্তর আমেরিকা প্রতিনিধি
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ডেভিড জলি
ফ্লোরিডায় প্রায়
এক ঘণ্টা আগে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক
নির্বাচনগুলোয় রক্ষণশীলদের দিকে ঝুঁকে থাকা এই রাজ্যটি, মধ্যবর্তী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ
লড়াইয়ের ময়দানে পরিণত হয়েছে।
রাজ্যের ৮০ শতাংশ
ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর- ডেভিড জলি এবং
রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান বায়রন ডোনাল্ডসের মধ্যে নির্বাচনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
হিসেবে রেটিং দিচ্ছে বিবিসির মিডিয়া পার্টনার সিবিএস।
এছাড়াও ইঙ্গিত
পাওয়া যাচ্ছে যে, প্রতিনিধি পরিষদ পর্যায়ে ফ্লোরিডার অতীতের নির্বাচনের চেয়ে ভালো করছে
ডেমোক্র্যাটরা, যদিও
গত বছর রাজ্যের রিপাবলিকানরা তাদের প্রার্থীদের জন্য মানচিত্রকে আরও অনুকূল করতে
কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের সীমানা পুনরায় নির্ধারণ করেছিল।
উদাহরণস্বরূপ, আনুমানিক ৯৫ শতাংশ ভোট গণনার পর নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীর
চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান মেরি সালাজার।
অথচ ২০২৪ সালে, তিনি তার মায়ামির এই এলাকায়, যেখানে বিপুল সংখ্যক হিস্পানিক জনগোষ্ঠী রয়েছে, ১৫
পয়েন্টেরও বেশি ব্যবধানে জয়লাভ করেছিলেন।
চলতি বছরের শুরুতে,
তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করে একটি
টেলিভিশন বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিলেন - যা তার ডিসট্রিক্টের ভোটারদের পরিবর্তিত মনোভাবের
একটি লক্ষণ।
অঙ্গরাজ্যটিতে আরও
কিছু হাউস আসন রয়েছে যেগুলো জেতার ব্যাপারে ডেমোক্র্যাটরা সাম্প্রতিক দিনগুলোতে
বেশি আশাবাদী ছিল।
তারা ইতোমধ্যেই
প্রতিনিধি ক্যাথি কাস্টর এবং জ্যারেড মোসকোভিটজের জন্য দুটি আসন ধরে রেখেছেন, যেগুলো রিপাবলিকানদের লক্ষ্যবস্তু ছিল।
যদি সালাজারও কঠিন
লড়াইয়ের মধ্যে থাকেন, তাহলে
এই রাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের জন্য তা সার্বিকভাবেই একটি উৎসাহব্যঞ্জক খবর।
২০টি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে।
কানেকটিকাট, আলাবামা, ডেলাওয়্যার, ইলিনয়, মেইন, মেরিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস, মিশিগান, মিসৌরি, নিউ জার্সি, ওকলাহোমা, পেনসিলভানিয়া, রোড আইল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা, টেক্সাস, ওয়াশিংটন ডিসি, মিসিসিপি, কানসাস এবং টেনেসিতে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
উল্লেখ্য, কানসাস, টেক্সাস, মিশিগান এবং মেইনে সেনেট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
মার্কিন ভোটারদের বড় জরিপ থেকে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে, ক্রিস জিভান্স, ডেটা সাংবাদিক
ছবির উৎস, Anadolu via Getty Images
আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের ওপর পরিচালিত একটি বড় জরিপের ফলাফল তুলে ধরছি, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের মতামত ও উদ্বেগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।
ভোটারদের এই বড় জরিপ থেকে পাওয়া প্রথম দফার তথ্য থেকে যা জানা গেছে:
ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় হলো অর্থনীতি এবং গণতন্ত্রের অবস্থা।
অধিকাংশ ভোটার অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন এবং প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
প্রতি ১০ জনের মধ্যে চারজনেরও বেশি বলেছেন, দুই বছর আগের তুলনায় তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা এখন খারাপ। আর ১০ জনের মধ্যে ছয়জন বলেছেন, পেট্রোল ও খাদ্যের দাম নিয়ে তারা “খুবই উদ্বিগ্ন”।
১০ জনের মধ্যে ছয়জন আরও বলেছেন, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির জন্য বাইরের কারণের চেয়ে ট্রাম্পের নীতিগুলোই বেশি দায়ী।
অন্যান্যবিষয়েযাপাওয়াগেছে
১০ জনের মধ্যে ছয়জন মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র “ভুল সিদ্ধান্ত” নিয়েছে। আলাদাভাবে, চারজনের মধ্যে তিনজন বলেছেন, এ সংঘাত কংগ্রেস নির্বাচনে তাদের ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে “গুরুত্বপূর্ণ” বা “প্রধান” প্রভাবক ছিল।
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ, অর্থাৎ ৯০ শতাংশ, বলেছেন তাদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তে সরকারি দুর্নীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বা প্রধান কারণ ছিল।
১০ জনের মধ্যে ছয়জন বলেছেন, অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই) যেভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে, তা তারা সমর্থন করেন না।
অধিকাংশ ভোটার আস্থা প্রকাশ করেছেন যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছে জরিপ সংস্থা এসএসআরএস, যারা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজারো ভোটারের সাক্ষাৎকার নিয়েছে।
পরবর্তী এক ঘণ্টা কেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাকশি ভেঙ্কটরামন, ওয়াশিংটন ডিসি
ছবির উৎস, Allison Joyce/Getty Images
ছবির ক্যাপশান, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে এরইমধ্যে ভোট শেষ হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যবর্তী নির্বাচনে আরও ২০টি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হতে চলেছে।
এই পর্বে তিনটি
অঙ্গরাজ্যের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে- টেক্সাস, মিশিগান ও মেইন।
টেক্সাস অঙ্গরাজ্য
থেকে গত ৩০ বছরে কোনো ডেমোক্র্যাট সেনেটে যাননি, কিন্তু সাবেক স্কুল শিক্ষক জেমস টালারিকো সেই ইতিহাস বদলাতে
চাইছেন। ট্রাম্প-সমর্থিত রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের সঙ্গে তার
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।
মিশিগানে
ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সাইদ এবং রিপাবলিকান মাইক রজার্সের মধ্যে লড়াই জাতীয়
মনোযোগ কেড়েছে। যেখানে রোববার শেষ মুহূর্তে এল-সাইদের ডেমোক্র্যাট প্রাইমারির
প্রতিদ্বন্দ্বী রজার্সকে সমর্থন জানিয়েছেন।
এছাড়া মেইন অঙ্গরাজ্যের
বর্তমান সেনেটর সুসান কলিন্স একজন রিপাবলিকান, যিনি ট্রাম্পকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট
দিয়েছিলেন।
ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য থাকা এই অঙ্গরাজ্যে নিজের আসন ধরে রাখার লড়াই করছেন তিনি, কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রয় জ্যাকসনের কাছ থেকে কঠিন
চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।
ভোট গণনা কীভাবে হয় এবং কখন ফল প্রকাশ শুরু হতে পারে
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ভোটগ্রহণ শেষে গণনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটি অঙ্গরাজ্য নিজ নিজ নির্বাচন পরিচালনা করে এবং ভোটগণনা ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য তাদের নিজস্ব নিয়ম রয়েছে।
কিছু অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের দিনের আগেই আগাম দেওয়া ভোট প্রক্রিয়াকরণ করে,
আবার অন্যগুলো ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তা শুরু করে।
স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটারের পৃথক ভোট যাচাই,
প্রক্রিয়াকরণ এবং গণনার কাজ করেন। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ক্যানভাসিং।
বেশিরভাগ অঙ্গরাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী একটি আনুষ্ঠানিক নিরীক্ষা বা অডিট বাধ্যতামূলক। এতে হাতে গণনা করা ব্যালটের সংখ্যা যন্ত্রের মাধ্যমে গণনা করা মোট সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। তবে এ সংক্রান্ত নিয়ম দেশজুড়ে এক নয়।
সব অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নিয়ম রয়েছে, যেখানে নির্ধারণ করা থাকে কারা ভোট গণনার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন, কোন ক্রমে ভোট প্রক্রিয়াকরণ হবে এবং প্রক্রিয়ার কোন অংশ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে ভোট গণনায় বিলম্ব হতে পারে। একইসঙ্গে পুনর্গণনা এবং আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
ফলাফল
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে (জিএমটি ২৩:০০) পর প্রথম ফলাফল আসা শুরু হবে।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় ধাপে ধাপে আরও ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। কিছু অঙ্গরাজ্যের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যমগুলো আগেভাগেই এক পক্ষের জয়ের
'ঘোষণা' করতে পারে।তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাছাকাছি হলে ফলাফলের পূর্বাভাস দিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
সামগ্রিক ফলাফল কখন স্পষ্ট হবে,
তা নির্ভর করবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কতটা হাড্ডাহাড্ডি হয় এবং কোন কোন আসন শেষ পর্যন্ত নির্ধারক ভূমিকা পালন করে তার ওপর।
২০২২ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরের দিন, অর্থাৎ ৯ই নভেম্বরও, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছিল।
অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তুষ্ট, দেখা যাচ্ছে জরিপে
ভোটার জরিপ আপাতত ডেমোক্র্যাটদের কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন উপলক্ষে ভোটারদের ওপর চালানো জরিপের প্রথম দফার তথ্য বিশ্লেষণ করার পর একটি বিষয় স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।
প্রকৃত ভোটারদের নিয়ে পরিচালিত এই জাতীয় জরিপটি গত কয়েক মাসে প্রকাশিত বড় বড় জনমত জরিপে যে চিত্র দেখা গেছে, তার সঙ্গে এখন পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই মিল রেখেছে।
ভোটারদের মনোভাব নেতিবাচক, বিশেষ করে অর্থনীতি নিয়ে। আর এটাই ভোটারদের চিন্তার শীর্ষে থাকা বিষয়।
রাজনৈতিক দুর্নীতি নিয়েও উদ্বেগের মাত্রা বেশি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাজের মূল্যায়নে সমর্থনের হার ৩৮ শতাংশ, আর নেতিবাচক মত ৬১ শতাংশ। অর্থাৎ তার জনপ্রিয়তার চিত্র স্পষ্টভাবে নেতিবাচক।
যদি ডেমোক্র্যাটরা আশঙ্কা করে থাকেন যে সাম্প্রতিক জরিপগুলো তাদের জন্য সম্ভাব্য ভালো ফলাফলের যে ইঙ্গিত দিচ্ছিল,
তা বাস্তবতার সঙ্গে অনেকটাই অমিল হতে পারে, তাহলে এই ফলাফল আপাতত তাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।