পত্রিকা: 'আ'লীগের হেভিওয়েটদের তদন্তে আরো তিন মাস সময়'

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- আ'লীগের হেভিওয়েটদের তদন্তে আরো ৩ মাস সময়
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও তিন মাস সময় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। শুনানির দিন কারাগার থেকে ৯ জন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়, যাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন।
প্রসিকিউশন জানায়, এ মামলায় মোট ৪৬ জন আসামির মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অভিযোগ গঠন ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, যা শেষ করতে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে নতুন সময় নির্ধারণ করেছে।


নিউ এইজ পত্রিকার খবর- 12 YEARS OF NARAYANGANJ SEVEN MURDERS: No end to cry for justice yet অর্থাৎ নারায়ণগঞ্জ সাত খুনের ১২ বছর: ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় স্বজনরা
নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে র্যাবের কিছু সদস্যের হাতে সাতজন অপহরণ ও হত্যার ঘটনার ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। মামলার আপিল গত সাত বছর ধরে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ঝুলে আছে।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল তৎকালীন সিটি করপোরেশন কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। তাদের মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিন দিন পর তা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি সারা দেশে তীব্র আলোড়ন তোলে।
এই ঘটনা মানবাধিকার ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নেয়, কারণ প্রথমবারের মতো একটি এলিট বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও মুক্তিপণের জন্য হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচিত হয় এবং র্যাবের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়।
২০১৭ সালে জেলা আদালত ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। পরে হাইকোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে, ১১ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করে এবং অন্যদের দণ্ড বহাল রাখে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সাবেক র্যাব কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ ও নূর হোসেনকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বণিক বার্তা পত্রিকার খবর- ১৫ অধিদপ্তর ও সংস্থায় শীর্ষ পদে বদল
প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল করেছে বিএনপি সরকার। একদিনেই ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক পদে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার ১৫ জন কর্মকর্তাকে প্রেষণে এসব দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এই নিয়োগের আওতায় খাদ্য, পরিবেশ, কৃষি বিপণন, ট্রেড মার্কস, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোসহ ১১টি দপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি এনটিআরসিএ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ে রেজিস্ট্রার জেনারেল নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মু. জসীম উদ্দিন খানকে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক করা হয়েছে এবং তাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। ড. মো. লুৎফর রহমান পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে যুক্ত হয়েছেন।
এছাড়া এমএম আরিফ পাশাকে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং দিল আফরোজকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই রদবদলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে নতুন নেতৃত্ব এসেছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর - Over 90% of July uprising cases still under probe অর্থাৎ জুলাই অভ্যুত্থানের ৯০ শতাংশের বেশি মামলা এখনো তদন্তাধীন
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর পরও সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া ১,৮৫৫টি মামলার মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি মামলার তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগী পরিবার ও অনেক নির্দোষ অভিযুক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা বাড়ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এসব মামলার মধ্যে ৭৯৯টি হত্যা এবং ১,০৫৬টি অন্যান্য অভিযোগে দায়ের করা হয়। এখন পর্যন্ত মাত্র ১৭৬টি মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে এবং ১৫৬টিতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৯০৫টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৫৫টি হত্যা মামলা। এখানে মাত্র ৪৩টি মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ২৪টিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং ১৯টিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে আসামিদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক মামলায় বিপুল সংখ্যক আসামি থাকায় তদন্ত শেষ করতে সময় লাগছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলার জটিলতা ও বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এই ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। তারা সতর্ক করেছেন, দীর্ঘদিন তদন্ত ঝুলে থাকলে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হয় এবং মানুষের আস্থা কমে যায়।

আজকের পত্রিকার শীর্ষ খবর- সংঘাত এড়িয়ে সংগঠিত হওয়ার কৌশলে ১১ দল
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তবে আপাতত তারা সংঘাতমুখী বা কঠোর কর্মসূচি এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন এগিয়ে নিতে চায়। বিক্ষোভ, সভা ও সমাবেশের মাধ্যমে ধাপে ধাপে চাপ সৃষ্টি করে দাবি আদায়ের কৌশল নিয়েছে জোটটি।
জোট নেতাদের মতে, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি চলছে এবং পরবর্তী ধাপে বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ, এরপর রাজধানীতে জাতীয় সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই সমাবেশ থেকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। জনদুর্ভোগ এড়িয়ে আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।
তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই কর্মসূচি নির্ধারণ করা হচ্ছে। তবে সরকার আন্দোলন দমনের চেষ্টা করলে প্রয়োজনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন নেতারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে ১১ দল।

মানবজমিন পত্রিকার খবর- কমছে পাম্পের দীর্ঘ লাইন, ফুয়েল পাসের আওতায় ব্যক্তিগত গাড়ি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের ভোগান্তি কমে আসছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে কমেছে ভিড়। দেশে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানো এবং পাম্পে বাড়তি জ্বালানি তেল সরবরাহের পর পাল্টাতে শুরু করেছে পাম্পগুলোর চিত্র।
কয়েকদিন আগে যেখানে ২-৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে জ্বালানি তেল নিতে হতো, সেখানে এখন ৪০ থেকে ৫০ মিনিট অপেক্ষা করে তেল পাচ্ছেন চালকরা।
দেড় মাসের বেশি সময় ধরে তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বাইকসহ গাড়ি চালকদের। পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আতঙ্ক কমে যাওয়ায় চাহিদা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে। এ ছাড়া, ফুয়েল অ্যাপ চালু, দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ বাড়ানোর কারণে চাপ কমেছে।
ওদিকে, যানবাহনের চাপ কমাতে এবার মোটরসাইকেলের পর ব্যক্তিগত গাড়িগুলোকে ফুয়েল পাসের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ। প্রাথমিকভাবে 'ক', 'খ' ও 'গ' সিরিজের ব্যক্তিগত গাড়িকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।

যুগান্তর পত্রিকার খবর- গ্রাম পর্যায়ে মিলছে না অকটেন-ডিজেল
তৃণমূল পর্যায়ের জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় গ্রামাঞ্চলে অকটেন ও ডিজেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে তেল না পেয়ে সেচযন্ত্র ও যানবাহন মালিকরা শহরের পাম্পে ভিড় করছেন, ফলে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। সংকটের আশঙ্কায় অতিরিক্ত তেল কেনা ও মজুত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর পুরোনো সরবরাহ চেইন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন, অবৈধ মজুত ও অপচয় রোধে বিপিসির নির্দেশনা অনুসরণ করতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা কার্যত তৃণমূল পর্যায়ে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়েছে।
দেশে জ্বালানি সরবরাহের একটি ধাপভিত্তিক ব্যবস্থা ছিল, যেখানে প্যাক পয়েন্ট ডিলার ও সাব ডিলাররা গ্রামীণ এলাকায় তেল সরবরাহ করতেন। যুদ্ধের পর প্রথমেই এই স্তরগুলোতে সরবরাহ কমে যায় এবং সাব ডিলারদের বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গ্রামের হাটবাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে না এবং সংকট দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ : বিজিএমইএ
গত তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এ ছাড়া আরো বহু কারখানা আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
তবে একই সময়ে প্রায় ৩৫০ নতুন কারখানা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি।
গতকাল রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে প্রাক-বাজেট আলোচনাসভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।
সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান ছাড়াও বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিজিএপিএমইএ, বিজিবিএর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বৈশ্বিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শুল্কের প্রভাবে রপ্তানি নিম্নমুখী। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় মোট পোশাক রপ্তানি আয় ৩.৭৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

প্রথম আলোর প্রধান খবর- সরকার বদলায়, বাস বদলায় না
গত দেড় দশকে দেশে একাধিকবার সরকার পরিবর্তন হলেও ঢাকার বাস ব্যবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং এখন বিএনপি সরকার এলেও পুরোনো ও ফিটনেসবিহীন বাস এখনো সড়কে চলাচল করছে।
২০১০ সাল থেকে এসব বাস তুলে দেওয়ার কথা বারবার উঠলেও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব ও মালিকদের বাধায় তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার প্রায় ৩০ শতাংশ বাস ২০ বছরের বেশি পুরোনো এবং এসব বাসে অতিরিক্ত আসন বসিয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা হয়।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর পরিবহন খাতের নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও বাসের অবস্থার উন্নতি হয়নি। আগে যেখানে আওয়ামী লীগপন্থীরা নিয়ন্ত্রণে ছিল, এখন সেখানে বিএনপি সংশ্লিষ্টরা প্রভাবশালী হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাস রুট র্যাশনালাইজেশন বা ফ্র্যাঞ্চাইজ পদ্ধতি চালু না করলে এই সমস্যার সমাধান হবে না। তাদের মতে, বর্তমান বিশৃঙ্খল ব্যবস্থায় চাঁদাবাজির সুযোগ থাকায় শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ কার্যকর হচ্ছে না।

টাইমস অফ বাংলাদেশ পত্রিকার আজকের শিরোনাম- Multi-front crises: Govt response falters অর্থাৎ বহুমুখী সংকটে সরকার, দুর্বল প্রতিক্রিয়া
জ্বালানি সংকট, শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়া, কৃষিতে চাপ এবং হাম রোগের প্রাদুর্ভাব মিলিয়ে দেশ এখন বহুমুখী সংকটে পড়েছে। এসব পরিস্থিতিতে সরকারের পদক্ষেপ এখনো সংকটের মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলায় তেলের সংকট বেড়েছে। পাশাপাশি আগের অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং আইএমএফের ঋণ ছাড় নিয়ে জটিলতাও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করেছে। জ্বালানির দাম বাড়ানোর ফলে সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পরিবহন ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।
শিল্প খাতে এর প্রভাব পড়েছে স্পষ্টভাবে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে রপ্তানি আদেশ অন্য দেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। একই সময়ে হাম রোগের সংক্রমণ বেড়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার অগ্রাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও উত্তেজনা বাড়ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও বিরোধী সমর্থিত ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। বিরোধী দলগুলো জুলাই চার্টার বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। সব মিলিয়ে সংকট মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।








