পত্রিকা: 'এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তেলের মজুত সর্বনিম্ন'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

যুগান্তর পত্রিকার প্রতিবেদন- এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তেলের মজুত সর্বনিম্ন। খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার অদক্ষতা ও পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০২০ সালে কমপক্ষে ৬০ দিনের তেল মজুত সক্ষমতা তৈরির সিদ্ধান্ত থাকলেও বর্তমানে দেশের মজুত ক্ষমতা মাত্র ৩০–৩৫ দিনের, যার মধ্যে ডিজেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১০–১১ দিনের।

আন্তর্জাতিক তুলনায় বাংলাদেশের মজুত সক্ষমতা খুবই কম।

ভারতে তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ৭৪ দিনের, ভিয়েতনামে ৪৫ দিন, থাইল্যান্ডে ৬১ দিন এবং জাপানে প্রায় ২৫০ দিনের সমপরিমাণ।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান মজুত আসলে আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং এটি কেবল স্বাভাবিক পরিচালনা পর্যায়ের মজুত।

বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করেছেন, তেল বিতরণকারী কোম্পানিগুলো মজুত অবকাঠামো বাড়ানোর পরিবর্তে ব্যাংকে অর্থ জমা রেখে সুদ অর্জনে বেশি আগ্রহী।

এ পরিস্থিতিকে অদক্ষ ব্যবস্থাপনার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

যুগান্তর

প্রথম আলো পত্রিকার খবর- এক বছরে ধর্ষণ বেড়েছে ২৭%

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে করা এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালগুলোতে ভুক্তভোগী নারী ও তাদের পরিবারের ভিড় থেকেই বোঝা যায় বিচারপ্রার্থীদের মানসিক যন্ত্রণা ও উদ্বেগ কতটা গভীর।

আদালতের কক্ষের ভেতরে জায়গা না থাকায় অনেকেই বারান্দায় অপেক্ষা করেন, আর মামলার শুনানির সময় অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের বর্ণনাও শোনা যায়।

এসব আদালতে ধর্ষণসহ বিভিন্ন নির্যাতনের মামলায় ভুক্তভোগীরা বিচার পাওয়ার আশায় হাজির হন, কিন্তু দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও মানসিক চাপ তাঁদের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

এদিকে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে এবং ধর্ষণের মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশের বেশি।

গত বছরে নারী নির্যাতনের মোট মামলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ছিল ধর্ষণের অভিযোগ।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানায়, ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে করা ধর্ষণের অভিযোগের ১১ হাজারের বেশি মামলার তদন্তে প্রায় ৪৪ শতাংশ অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

প্রথম আলো

বণিক বার্তার খবর- পাকিস্তানে ৭০ শতাংশ পেট্রল পাম্প বন্ধের শঙ্কা কালকের মধ্যে। এ খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পাকিস্তানেও।

সম্ভাব্য জ্বালানি তেল সংকটের আশঙ্কায় করাচির বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে এবং কিছু পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধও রাখা হয়েছে।

একই সঙ্গে গতকাল সারা দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করে সতর্কবার্তা জারি করেছেন পেট্রোলিয়াম ডিলাররা।

পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, দেশে পেট্রল ও ডিজেলের কোনো ঘাটতি নেই।

তবে নতুন জ্বালানি মূল্যের ঘোষণা কার্যকর হওয়ার আগের রাতেই অনেক নাগরিক তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেল কিনতে পাম্পে ভিড় করেন।

খাইবার পাখতুনখোয়া পেট্রোলিয়াম ডিলারস অ্যান্ড কটেজ কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য সচিব নাজিবুল্লাহ জানান, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ার অজুহাতে বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের কাছে পেট্রল ও ডিজেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

এর ফলে অনেক এলাকার পাম্প এরই মধ্যে জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী সোমবারের মধ্যে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ পেট্রল পাম্পের মজুদ ফুরিয়ে যেতে পারে।

বণিক বার্তা

মানবজমিন পত্রিকার শীর্ষ খবর- জ্বালানি তেল নিয়ে তেলেসমাতি। খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে টালমাটাল পুরো বিশ্বের জ্বালানির বাজার। এর রেশ পড়েছে দেশের বাজারেও।

আপাতত সংকট না থাকলেও ভবিষ্যতের সংকট চিন্তা করে বাড়তি জ্বালানি মজুতের প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

যার কারণে সরকার জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছে।

সরকারের তরফে অভয় দেয়া হচ্ছে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমদানির পাইপ লাইনে জ্বালানি তেল রয়েছে। তাই যার যতটুকু প্রয়োজন তা কিনতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারের এমন আহ্বানেও গা করছেন না অনেকে।

বাড়তি তেল নিতে ছুটছেন পাম্পে। এ কারণে এক ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

বাড়তি চাপের কারণে কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

সংকটের অজুহাতে পাম্প মালিকরাও বাড়তি সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছেন এমন অভিযোগও মিলেছে।

এমন অবস্থায় গতকাল পুলিশ পাহারায় জ্বালানি তেল বিক্রির তথ্যও পাওয়া গেছে। মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার তেল মজুতের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার ফিলিং স্টেশনগুলোকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

মানবজমিন

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Women's affairs reforms still on paper অর্থাৎ নারী বিষয়ক সংস্কারের কথা কাগজে কলমেই।

জুলাই অভ্যুত্থানের পরও বাংলাদেশে নারীদের প্রতি বৈষম্য দূর করা ও সম্পত্তির অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো এখনো বেশিরভাগই বাস্তবায়নের বাইরে রয়ে গেছে।

২০২৫ সালের ১৯ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন মোট ৪৩৩টি সুপারিশ জমা দেয়। এসব সুপারিশের মধ্যে নারীদের সমান সম্পত্তির অধিকার, একটি ইউনিফর্ম ফ্যামিলি কোড এবং একটি স্থায়ী ও স্বাধীন নারী বিষয়ক কমিশন গঠনের প্রস্তাব ছিল।

এদিকে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার জানিয়েছে, তারা কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে। নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

নিউ এইজ

আজকের পত্রিকার খবর- শুল্ক কমানোর সুফল নেই এলপি গ্যাসের দামে। খবরে বলা হয়েছে, সরকার এলপি গ্যাসের আমদানি শুল্ক কমালেও বাজারে এর সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা।

সরকার নির্ধারিত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৪১ টাকা হলেও রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় তা প্রায় ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এতে প্রতি কেজি গ্যাসে ভোক্তাদের অন্তত ৩০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। দেশের দৈনিক প্রায় ৫ হাজার টন চাহিদা বিবেচনায় এভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, তারা প্ল্যান্ট ও ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকেই বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, ফলে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, সীমিত সরবরাহ, পরিবহন খরচ ও অপেক্ষার সময় বাড়ায় প্রান্তিক পর্যায়ে দাম বেড়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মতে, আমদানিকারকেরা প্রকৃত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস সরবরাহ করছে।

সরকারি ইনভয়েস ও বাস্তব বিক্রয়মূল্যের মধ্যে পার্থক্যের প্রমাণও পাওয়া গেছে, যার ফলে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফা করছে।

আজকের পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Family Card pilot to cover 40,000 households, অর্থাৎ পরীক্ষামূলকভাবে ৪০ হাজার পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড।

সরকার পরীক্ষামূলকভাবে 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে, যার আওতায় আগামী চার মাসে ৪০ হাজার পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আসছে ১০ই মার্চ থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে এবং প্রতিটি পরিবার মাসে ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে।

এই কর্মসূচির জন্য সংশোধিত বাজেটের ব্লক বরাদ্দ থেকে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় ২৫.১৫ কোটি টাকা ভাতা হিসেবে ব্যয় হবে এবং বাকি অর্থ উপকারভোগী নির্বাচন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে খরচ করা হবে।

প্রথম ধাপে ১৪টি ওয়ার্ডের ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের ৫০ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য।

এ কাজে ৫৬০ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হবে এবং প্রত্যেকে ৫,০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। জুনের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ শেষ করে ৪০ হাজার উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

দ্য ডেইলি স্টার

নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- সংসদে নিজেদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি সবার। এ খবরে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারো শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের নতুন অধিবেশন।

এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিজেদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারি দল ও বিরোধী দল।

ইতোমধ্যে উভয়পক্ষই তাদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এবারের সংসদের অধিকাংশ সদস্যই নতুন হওয়ায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সবাই সংসদে নিজেদের সক্ষমতা ও উপস্থিতি তুলে ধরতে চান।

সংসদে সম্ভাব্য তর্ক-বিতর্ক ও রাজনৈতিক মোকাবেলার প্রস্তুতিও নিচ্ছে বিভিন্ন দল। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি- সব দলই নিজেদের সংসদ সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানা গেছে।

আগামী ১২ই মার্চ শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।

সেই অধিবেশনেই মূলত বোঝা যাবে, নতুন সংসদ সদস্যদের এই প্রস্তুতি সংসদের বিতর্ক ও আলোচনায় কতটা প্রতিফলিত হয়।

নয়া দিগন্ত

ইরান-ইসরায়েল ও মার্কিন যুদ্ধের আতঙ্গের মধ্যে দুবাই থেকে সম্পদ সরাতে বিকল্প খুঁজছেন এশিয়ার ধনী ব্যক্তি ও উদ্যোক্তারা।

যুদ্ধের কারণে এ অঞ্চলের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই তাদের সম্পদের বিপরীত বা নিরাপদ স্থানান্তরের উদ্যোগ নিচ্ছেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরই দুবাইয়ে বসবাসকারী ভারতীয় দুই উদ্যোক্তা তাদের সম্পদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।

তারা স্থানীয় ব্যাংক হিসাব থেকে কিছু অর্থ সিঙ্গাপুরে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তবে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে শুরুতে তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। পরে তাদের একজন অন্য মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করতে সক্ষম হন।

তথ্যমতে. অনেক ধনী এশীয় একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন। তারা দুবাইয়ে রাখা সম্পদ সিঙ্গাপুর কিংবা হংকং-এর মতো আঞ্চলিক আর্থিক কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার উপায় খুঁজছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলকে নিরাপদ বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে যে সুনাম ছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

দেশ রূপান্তর

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- হামলার শঙ্কায় নির্ঘুম রাত। খবরে বলা হচ্ছে, ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জঙ্গিবিমান ও ড্রোনের তৎপরতায় অঞ্চলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে হামলায় প্রাণহানি ঘটছে। সাম্প্রতিক মার্কিন মিত্রদের হামলার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে বড় ধরনের হামলার ঘোষণা দিলে জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর দিকে নজর রাখছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পণ্যবাহী জাহাজের জন্য কার্যত বন্ধ রয়েছে।

ইউরোপের বেশ কিছু দেশও মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জড়ো করছে, ফলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কালের কণ্ঠ